﻿<?xml version="1.0" encoding="utf-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
	<title type="html"><![CDATA[ফোরাম]]></title>
	<link rel="self" href="http://www.idbangla.com/forums/extern.php?action=feed&amp;type=atom"/>
	<updated>2010-09-09T13:20:25Z</updated>
	<generator>PunBB</generator>
	<id>http://www.idbangla.com/forums/index.php</id>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[কোরআন কার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ন.. টরি জোন্স, না আমার কাছে?]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2333&amp;action=new"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<p>টরি জোন্স কোরআন পোড়াবে, চারদিকে হৈ চৈ আর প্রতিবাদ। এই প্রতিবাদের মিছিলে অংশ নেয়া মানুষগুলোর সেকি ক্রোধ, পারলে টরি জোন্স-কে কাঁচা খেয়ে ফেলে।</p><p>টরি জোন্স কোরআন পোড়াবে। কেন? দুনিয়াতে পোড়ানোর বস্তুর অভাব পড়েছে? কোরআনই পোড়াতে হবে কেন? আপনার কি মনে হয়? এত কিছু থাকতে সে কেন কোরআন পোড়াচ্ছে?</p><p>উত্তর অনেকগুলো হতে পারে, তার ভেতরে সবচেয়ে বড় উত্তরটা হচ্ছে প্রচন্ড ইসলাম বিদ্বেষ থেকে তিনি এই কাজটা করছেন। এই বিদ্বেষের পেছনে যাই থাকুক না কেন বিদ্বেষের ঝাল মেটানোর জন্য তিনি মুসলমানদের কোরআনকেই বেছে নিয়েছেন কারণ, তিনি জানেন কোরআন মুসলমানদের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ন জিনিষ যেখানে আঘাত দিলে সমস্ত মুসলিমের হৃদয়ে আঘাত দেয়া হবে এবং তার বিদ্বেষী মন তাতে শান্তি পাবে।</p><p>আচ্ছা, টরি জোন্স যে বিষয়টা জানেন আমি মুসলমান কি সেটা জানি? কোরআন কি আমার কাছে সত্যিই খুব গুরুত্বপূর্ন বস্তু যা পোড়ালে আমার হৃদয় বিদীর্ন হবে? উত্তর যদি হ্যাঁ হয়, তাহলে কিছু প্রশ্ন জাগে মনে-<br />১) আমার কাছে এত গুরুত্বপূর্ন মনে হওয়া কিতাবটা কি আমি পড়ে দেখেছি? (আরবীতে না বুঝলে নিদেন পক্ষে নিজের মাতৃভাষায়?)<br />২) আমার এত প্রিয় কোরআন এ লেখা বাক্যগুলো, শব্দগুলো কি আমার জীবনে কোন প্রভাব ফেলতে পেরেছে?<br />৩) আমি কি কোরআনের নির্দশগুলো মানি বা কখনো মানার ইচ্ছে মনে জেগেছে?</p><p>এই তিনটি প্রশ্নের উত্তর যদি &quot;না&quot; হয়, তাহলে টরি জোন্স এর সমালোচনা করার অধিকার আমার নাই। এই তিনটা প্রশ্নের উত্তর &quot;না&quot; হলে ধরে নিতে হবে টরি জোন্স কোরআনকে যতটা গুরুত্বপূর্ন মনে করে আমি তার অর্ধেকও করি না।</p><p>আল্লাহ সবাইকে(ইনক্লুডিং মি) কোরআন পড়ে বোঝার ও মানার তৌফিক দান করুন। আমীন।</p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[ত্রিভুজ]]></name>
				<uri>http://www.idbangla.com/forums/profile.php?id=40</uri>
			</author>
			<updated>2010-09-09T13:20:25Z</updated>
			<id>http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2333&amp;action=new</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[Muslim Petition - Burn Quran Day - Vote NO!]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2332&amp;action=new"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<p>If we are not going to take this step then who is going to ????</p><p><a href="http://www.muslimpetition.co.uk/">http://www.muslimpetition.co.uk/</a></p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[হৈচৈ]]></name>
				<uri>http://www.idbangla.com/forums/profile.php?id=181</uri>
			</author>
			<updated>2010-09-09T12:51:36Z</updated>
			<id>http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2332&amp;action=new</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[যুদ্ধাপরাধীদের বিচার - আমার আরো কিছু কথা]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2049&amp;action=new"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<p>কিছুক্ষন আগে দেখছিলাম আরটিভির একটি অনুষ্ঠান। ছিলেন শাহ আবদুল হান্নান এবং শাহরিয়ার কবির। অনুষ্ঠানটির পুরোটা মনোযোগ দিয়ে দেখতে পারিনি। বার বার বিভিন্ন ইস্যুতে উঠতে হয়েছে বলে অনেক কিছুই মিস করেছি। তবে মূলসুরটা ধরতে কষ্ট হয় নি।</p><p>শাহরিয়ার কবিরকে ধন্যবাদ দিতেই হয়। তিনি অত্যন্ত ধৈর্য্যের সাথে যৌক্তিক কথার দ্বারা ব্যাখা করছিলেন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সংক্রান্ত বিভিন্ন ইস্যু। বরং শাহ আবদুল হান্নানই এড়িয়ে যেতে চেয়েছেন অনেক প্রসংগ। যা স্বভাবতই নিরপেক্ষ একজন দর্শকের কাছে ভাল লাগবে না। শাহ আবদুল হান্নান যদি ঠিকমত গুছিয়ে বিষয় গুলো উপস্থাপনা করতে পারতেন তবে তা অবশ্যই দর্শকদের কাছে চিন্তার খোরাক হত। কিন্তু উনার কথায় এবং আচরনে দোদুল্যমানতা ছিল স্পষ্ট। </p><p>প্রথমত: শাহ আবদুল হান্নান যে প্রসংগটি টেনেছেন তা হল, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার জাতির পিতার ইচ্ছার বিরোধী। তিনি নিজেই ক্ষমা করেছেন। </p><p>উনার এই যুক্তি আসলে খুব শক্তিশালী যুক্তি নয়। কারন &quot;অপরাধ&quot; বিষয়টি কোন ব্যক্তির ইচ্ছা/অনিচ্ছার সাথে সংশ্লিষ্ট নয়। সুতরাং জাতির পিতা চাননি বলে এটা একেবারেই ধামাচাপা পড়ে যাক, তা কাম্য হতে পারে না। এ বিষয়ে তিনি (শাহ আবদুল হান্নান) বিচারের পক্ষে নিজের অবস্থান ব্যক্ত করলে ভাল করতেন। তবে আমার যা মনে হয়েছে - &quot;যুদ্ধাপরাধ&quot; সংজ্ঞায়িত হওয়া প্রয়োজন। শাহরিয়ার কবির ফৈরদৌসী প্রিয়ভাষিনীর কথা টেনে বললেন,&nbsp; তাকে যারা ধর্ষন করেছে তাদের কি করে ছেড়ে দেয়া যায়। সেটা সত্যি কথা। নিশ্চয়ই এরকম অপরাধের বিচার করতেই হবে। তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু &quot;যু্দ্ধাপরাধ&quot; ক্রাইমে আর কি কি বিষয়কে &quot;অপরাধ&quot; বলে গন্য করা হবে?&nbsp; আদর্শিকভাবে স্বাধীনতা বিরোধিতা কি কোন &quot;অপরাধ&quot; বলে গন্য হবে?&nbsp; </p><p>নন-কমব্যাট যে কোন মানুষের উপর যে কোন ধরনের আক্রমন একটি অপরাধ, তাতে সন্দেহ নাই। কিন্তু এর বাইরে আর কি কি বিষয়কে &quot;যুদ্ধাপরাধ&quot; এর আওতাধীন করা হচ্ছে?</p><p>দ্বিতীয়ত:&nbsp; শাহ আবদুল হান্নান যে বিষয়টির উপর খুব বেশী ফোকাস করতে পারেন নি, শুধু একটি লাইনই বলেছেন - তা হল &quot;বিচার বিভাগ একদম কোরাপ্ট&quot;। অর্থ্যাৎ, ন্যায় বিচারের আশংকা তিনি করছেন। এতে তিনি ফোকাস করলে ভাল হত।&nbsp; </p><p>এটা অবশ্যই একটি যৌক্তিক প্রশ্ন যে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের নামে কি কোন প্রহসন আমরা দেখব? এই আশংকা কেন অমূলক নয়, তার পক্ষে কয়েকটি কারন আমি তুলে ধরছি:</p><br /><p>১। মূল ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করে স্বদেশে প্রেরন। </p><p>শাহরিয়ার কবির যতই বলুন যে পাকিস্তান নিজের দেশে নিয়ে বিচার করবে বলেছে, সেটা কিন্তু চুক্তিতে নাই। আন্তর্জাতিক চুক্তিতে যদি এটা থাকতো তবে অবশ্যই আমরা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতাম না। কিন্তু নেই। সেখানে সুস্পষ্ট ভাষায় এদেরকে যুদ্ধাপরাধী বলা হয়েছে (শাহরিয়ার কবির এখানে ভুল করেছেন। তিনি বলেছেন, এরা যুদ্ধবন্দী। না, চুক্তিতে এদের অপরাধের বিষয়টি স্বীকার করা হয়েছে)।&nbsp; মূল অপরাধের সাথে যারা জড়িত, তাদের বেলায় একরকম আচরন, আর সহযোগীদের বেলায় অন্যরকম আচরন - এটা অবশ্যই একটি যৌক্তিক প্রশ্ন যা ব্যাখার দাবী রাখে।</p><p>২। ৩৮ বছর ধরে এ ইস্যু ছিল উহ্য।</p><p>যদিও বিভিন্ন সময় বিভিন্ন আন্দোলনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জনগনের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহন ছিল (উল্লেখ্য, আমি নিজেও জাহানারা ইমামকে সমর্থন দিয়েছিলাম), কিন্তু বাস্তবতা হল ৩৮ বছর পরে একটি আপাত নিষ্পত্তিকৃত বিষয়কে আবার চাংগা করা হচ্ছে। সুতরাং এর পেছনে রাজনৈতিক চেহারা থাকার ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক হবার বিষয়টি উড়ি্যে দেয়া যায় না। </p><p>৩। বিচার বিভাগের প্রশ্নবোধক অবস্থান।</p><p>বিচার বিভাগ গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বহু তুঘলকি কারবার দেখিয়েছে। বিভিন্ন সময় বিভিন্নজন বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। </p><br /><p>এসব বিভিন্ন কারনে রাজনৈতিক চেহারার বিষয়টি কিন্তু উড়িয়ে দেয়া যায় না। আর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে রাজনৈতিক চেহারা থাকলে তা কোন বিবেচনায় গ্রহন যোগ্য নয়।</p><br /><p>তার মানে এটা নয় যে, এসব ইস্যুর কারনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করতে হবে। তা নয়, বরং এসব ইস্যুকে সামনে টানা হয় যাতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার স্বচ্ছ হয়। যুদ্ধাপরাধের বিচার স্বচ্ছ না হলে তা কোন মহলের কাছেই গ্রহন যোগ্য হবে না। এই আদালতেই মুজিব হত্যা সহ বিভিন্ন মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। তাই আদালত প্রশ্ন সাপেক্ষ হলেও বিচার এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। বিচার করতেই হবে এবং সেটাকে হতে হবে স্বচ্ছ।</p><br /><p>শেষ আরেকটি কথা বলে আজকের এ লেখা শেষ করছি। </p><p>শাহরিয়ার কবির এক পর্যায়ে বললেন, পাকিস্তান চাইছে সবার বিচার হোক। যত বিহারীর মানবাধিকার লংঘিত হয়েছে তাদেরও। শাহ আবদুল হান্নান তা সমর্থন করলেন। সাথে সাথে একজন বললেন, &quot;আপনি কি চাইছেন - মুক্তিযোদ্ধাদেরও বিচার হোক?&quot; </p><p>আমি জানি যে পরাজিতের অভিধানে মানবাধিকার বলে কোন শব্দ থাকে না। বিহারীরা মারা পড়েছে তাদের কৃতকর্মের কারনে। নিরীহ বিহারী নারীরা যদি ধর্ষনের স্বীকার হয়, সেও তো আর দশজন ধর্ষিতা নারীর মতই নির্যাতিত হয়েছে। সে শুধুমাত্র বিহারী গোত্রের একজন হবার কারনে<br />আজ বিচার চাইবার অধিকার নাই। কিন্তু মানুষ হিসেবে তার প্রতি সহানুভূতি পোষন করার অধিকারটুকু তো একজনের রয়েছে। </p><p>অনুষ্ঠানের উপস্থাপক শাহ আবদুল হান্নানকে বলছিলেন, বাক স্বাধীনতা রয়েছে বলেই আপনি আজ এত কথা বলতে পারছেন। কিন্তু আসলেই কি তাই? শাহ আবদুল হান্নান কি পেরেছিলেন বিহারী নারীর অধিকার হরনের কথাটি বলতে? তাকে কি থামিয়ে দেয়া হয় নি এই বলে যে, &quot;আপনি কি মুক্তিযোদ্ধাদের বিচার চান?&quot;&nbsp; &nbsp; </p><p>বাক স্বাধীনতা রয়েছে আমেরিকাতে, যেখানে তালিবানদের উপরে ঘটে যাওয়া নির্যাতনকে তারা নির্যাতন হিসেবে মেনে নিতে দ্বিধা করে না মোটেই। এটা আমেরিকার সংবিধানের প্রথম সংশোধনী। এটিই আমেরিকাকে দিয়েছে অনন্য একটি বৈশিষ্ট। এই কারনেই এই সংবিধান প্রতিটি আমেরিকানের কাছে গর্বের বিষয়।</p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[Bipod Ghosh]]></name>
				<uri>http://www.idbangla.com/forums/profile.php?id=75</uri>
			</author>
			<updated>2010-09-02T20:06:39Z</updated>
			<id>http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2049&amp;action=new</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[মা - কুরআন ও হাদীসে যেমন..]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2272&amp;action=new"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<p>আমাদের সবার সবচেয়ে প্রিয় শব্দ &#039;মা&#039;। সাময়িক মোহ বা অন্য কিছু হয়ত এ শব্দটির চেয়েও অন্য কোনো শব্দকে খানিকটা প্রিয় করে তোলে, কিন্তু অচিরেই তা বড় &#039;ভুল&#039; হিসেবে চিহ্নিত হয়। মা, মা, এবং মা। প্রিয় শব্দ একটিই, এবং একটিই।</p><p>শুধু প্রিয় শব্দই নয়, প্রিয় বচন -মা। প্রিয় অনুভূতি -মা। প্রিয় রান্না -মা। প্রিয় আদর -মা। সব &#039;প্রিয়&#039; গুলোই মা; মাকে কেন্দ্র করেই সব প্রিয় স্মৃতি।</p><p>আমার মা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মা। এ দাবী সবাই করে। কিন্তু আমি একটু জোর দিয়েই দাবীটা করি। কীভাবে? ধরুন, আমার একটু মন খারাপ, আম্মু স্বপ্নে দেখবেন আমি কাঁদছি। ফোন দিবেন সঙ্গে সঙ্গে। আমার জ্বর, স্বপ্নে দেখবেন আমি কাঁতরাচ্ছি। সাথে সাথে ফোন। আমার কোনো সাফল্য? তিনি আগেই তা জেনে যাবেন। আমার কিছু খেতে মন চাইছে, ফোন দিয়ে জানবেন, আজ কী বাজার করেছি।</p><p>মাকে নিয়ে ইসলাম যত কথা বলেছে, অন্য কোনো ধর্ম তত কথা বলেছে কিনা জানি না। তবে যতদূর পড়েছি, বলেনি বলেই জানি। মাকে নিয়ে বলতে বলতে শেষ পর্যন্ত মাকেই জান্নাত, মাকেই জাহান্নাম বলে বসেছে ইসলাম। মাকে খুশি করলে জান্নাত, কষ্ট দিলে জাহান্নাম। এত সম্মান যে মানুষের, সে মানুষের প্রতি আমাদের কত না অবহেলা!</p><p>অসুস্থ হয়েছে, ওষুধটা পর্যন্ত এনে দিই না আমরা। বৃদ্ধ হয়েছে, বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়ে দিই। অথচ এই মানুষটা কী চান আমাদের কাছে? শুধু একটু ভালবাসা। আর কিছু না। অসুস্থাবস্থায় হাসপাতালে নিতে চাইলে নিজেই যেতে চান না। সন্তানের টাকা খরচ হবে বলে। সন্তানের ওপর কোনো রকম বোঝা দিতে চান না তিনি। শুধু একটু মায়া চান। যে মায়া তিনি সারা জীবন করে এসেছেন, তার কিঞ্চিৎ তাঁকে ফেরৎ দিলেই তিনি খুশী। না, তার চাহিদা আমাদের মতো এত বড় নয়। তিনি প্রতিদান চান না, তিনি প্রাপ্য চান না, অধিকার নিয়ে কোনো কথা বলেন না তিনি। শুধু একটু মায়া চান। তাও কি আমরা দিতে পারি?!</p><p>মা দিবসকে সামনে রেখে কুরআন ও হাদীসে মা সম্পর্কে যে সব বক্তব্য রয়েছে, তা তুলে ধরছি। লেখক ও গবেষকদের জন্য সহায়ক হতে পারে।</p><p>আর এ ছোট্ট সংকলনটি উৎসর্গ করছি আমার স্নেহময়ী মাকে। এখনও যে মা জায়নামাযে বসে কাঁদেন আমাদের জন্য, সে মায়ের ভালবাসা আর মায়া যেন সারাজীবন পাই, যেন তাঁকে সবসময় সুখী দেখতে পাই, সে দোয়াই করি। আল্লাহ তাঁকে সুস্থ রাখুন, সুখী করুন। আমীন।</p><p><strong>আল কুরআন:</strong></p><p>১.</p><p>وَوَصَّيْنَا الْإِنْسَانَ بِوَالِدَيْهِ حُسْنًا وَإِنْ جَاهَدَاكَ لِتُشْرِكَ بِي مَا لَيْسَ لَكَ بِهِ عِلْمٌ فَلَا تُطِعْهُمَا إِلَيَّ مَرْجِعُكُمْ فَأُنَبِّئُكُمْ بِمَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ</p><p>আমি মানুষকে পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করার জোর নির্দেশ দিয়েছি। যদি তারা তোমাকে আমার সাথে এমন কিছু শরীক করার জোর প্রচেষ্টা চালায়, যার সম্পর্কে তোমার কোন জ্ঞান নেই, তবে তাদের আনুগত্য করো না। আমারই দিকে তোমাদের প্রত্যাবর্তন। অতঃপর আমি তোমাদেরকে বলে দেব যা কিছু তোমরা করতে। (২৯:৮)</p><p>২.</p><p>قُلْ تَعَالَوْا أَتْلُ مَا حَرَّمَ رَبُّكُمْ عَلَيْكُمْ ۖ أَلَّا تُشْرِكُوا بِهِ شَيْئًا ۖ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا ۖ وَلَا تَقْتُلُوا أَوْلَادَكُمْ مِنْ إِمْلَاقٍ ۖ نَحْنُ نَرْزُقُكُمْ وَإِيَّاهُمْ ۖ وَلَا تَقْرَبُوا الْفَوَاحِشَ مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ ۖ وَلَا تَقْتُلُوا النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللَّهُ إِلَّا بِالْحَقِّ ۚ ذَٰلِكُمْ وَصَّاكُمْ بِهِ لَعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ</p><p>আপনি বলুনঃ এস, আমি তোমাদেরকে ঐসব বিষয় পাঠ করে শুনাই, যেগুলো তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের জন্যে হারাম করেছেন। তাএই যে, আল্লাহর সাথে কোন কিছুকে অংশীদার করো না, পিতা-মাতার সাথে সদয় ব্যবহার করো, স্বীয় সন্তানদেরকে দারিদ্রের কারণে হত্যা করো না, আমি তোমাদেরকে ও তাদেরকে আহার দেই, নির্লজ্জতার কাছেও যেয়ো না, প্রকাশ্য হোক কিংবা অপ্রকাশ্য, যাকে হত্যা করা আল্লাহ হারাম করেছেন, তাকে হত্যা করো না; কিন্তু ন্যায়ভাবে। তোমাদেরকে এ নির্দেশ দিয়েছেন, যেন তোমরা বুঝ। (৬:১৫১)</p><p>৩.</p><p>[وَإِنْ جَاهَدَاكَ عَلَىٰ أَنْ تُشْرِكَ بِي مَا لَيْسَ لَكَ بِهِ عِلْمٌ فَلَا تُطِعْهُمَا ۖ وَصَاحِبْهُمَا فِي الدُّنْيَا مَعْرُوفًا ۖ وَاتَّبِعْ سَبِيلَ مَنْ أَنَابَ إِلَيَّ ۚ ثُمَّ إِلَيَّ مَرْجِعُكُمْ فَأُنَبِّئُكُمْ بِمَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ [٣١:١٥</p><p>পিতা-মাতা যদি তোমাকে আমার সাথে এমন বিষয়কে শরীক স্থির করতে পীড়াপীড়ি করে, যার জ্ঞান তোমার নেই; তবে তুমি তাদের কথা মানবে না এবং দুনিয়াতে তাদের সাথে সদ্ভাবে সহঅবস্থান করবে। যে আমার অভিমুখী হয়, তার পথ অনুসরণ করবে। অতঃপর তোমাদের প্রত্যাবর্তন আমারই দিকে এবং তোমরা যা করতে, আমি সে বিষয়ে তোমাদেরকে জ্ঞাত করবো। (৩১:১৫)</p><p>৪.</p><p>[وَقَضَىٰ رَبُّكَ أَلَّا تَعْبُدُوا إِلَّا إِيَّاهُ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا ۚ إِمَّا يَبْلُغَنَّ عِنْدَكَ الْكِبَرَ أَحَدُهُمَا أَوْ كِلَاهُمَا فَلَا تَقُلْ لَهُمَا أُفٍّ وَلَا تَنْهَرْهُمَا وَقُلْ لَهُمَا قَوْلًا كَرِيمًا [١٧:٢٣</p><p>তোমার পালনকর্তা আদেশ করেছেন যে, তাঁকে ছাড়া অন্য কারও এবাদত করো না এবং পিতা-মাতার সাথে সদ্ব-ব্যবহার কর। তাদের মধ্যে কেউ অথবা উভয়েই যদি তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হয়; তবে তাদেরকে ‘উহ’ শব্দটিও বলো না এবং তাদেরকে ধমক দিও না এবং বল তাদেরকে শিষ্ঠাচারপূর্ণ কথা। (১৭:২৩)</p><p>৫.</p><p>[وَوَصَّيْنَا الْإِنْسَانَ بِوَالِدَيْهِ حَمَلَتْهُ أُمُّهُ وَهْنًا عَلَىٰ وَهْنٍ وَفِصَالُهُ فِي عَامَيْنِ أَنِ اشْكُرْ لِي وَلِوَالِدَيْكَ إِلَيَّ الْمَصِيرُ [٣١:١٤</p><p>আর আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহারের জোর নির্দেশ দিয়েছি। তার মাতা তাকে কষ্টের পর কষ্ট করে গর্ভে ধারণ করেছে। তার দুধ ছাড়ানো দু বছরে হয়। নির্দেশ দিয়েছি যে, আমার প্রতি ও তোমার পিতা-মতার প্রতি কৃতজ্ঞ হও। অবশেষে আমারই নিকট ফিরে আসতে হবে। (৩১:১৪)</p><p>৬.</p><p>وَوَصَّيْنَا الْإِنْسَانَ بِوَالِدَيْهِ إِحْسَانًا ۖ حَمَلَتْهُ أُمُّهُ كُرْهًا وَوَضَعَتْهُ كُرْهًا ۖ وَحَمْلُهُ وَفِصَالُهُ ثَلَاثُونَ شَهْرًا ۚ حَتَّىٰ إِذَا بَلَغَ أَشُدَّهُ وَبَلَغَ أَرْبَعِينَ سَنَةً قَالَ رَبِّ أَوْزِعْنِي أَنْ أَشْكُرَ نِعْمَتَكَ الَّتِي أَنْعَمْتَ عَلَيَّ وَعَلَىٰ وَالِدَيَّ وَأَنْ أَعْمَلَ صَالِحًا تَرْضَاهُ وَأَصْلِحْ لِي فِي ذُرِّيَّتِي ۖ إِنِّي تُبْتُ إِلَيْكَ وَإِنِّي مِنَ الْمُسْلِمِينَ [٤٦:١٥</p><p>আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহারের আদেশ দিয়েছি। তার জননী তাকে কষ্টসহকারে গর্ভে ধারণ করেছে এবং কষ্টসহকারে প্রসব করেছে। তাকে গর্ভে ধারণ করতে ও তার স্তন্য ছাড়তে লেগেছে ত্রিশ মাস। অবশেষে সে যখন শক্তি-সামর্থে, বয়সে ও চল্লিশ বছরে পৌছেছে, তখন বলতে লাগল, হে আমার পালনকর্তা, আমাকে এরূপ ভাগ্য দান কর, যাতে আমি তোমার নেয়ামতের শোকর করি, যা তুমি দান করেছ আমাকে ও আমার পিতা-মাতাকে এবং যাতে আমি তোমার পছন্দনীয় সৎকাজ করি। আমার সন্তানদেরকে সৎকর্মপরায়ণ কর, আমি তোমার প্রতি তওবা করলাম এবং আমি আজ্ঞাবহদের অন্যতম। (৪৬:১৫)</p><p>৭.</p><p>۞ وَاعْبُدُوا اللَّهَ وَلَا تُشْرِكُوا بِهِ شَيْئًا ۖ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا وَبِذِي الْقُرْبَىٰ وَالْيَتَامَىٰ وَالْمَسَاكِينِ وَالْجَارِ ذِي الْقُرْبَىٰ وَالْجَارِ الْجُنُبِ وَالصَّاحِبِ بِالْجَنْبِ وَابْنِ السَّبِيلِ وَمَا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ ۗ إِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ مَنْ كَانَ مُخْتَالًا فَخُورًا [٤:٣٦]</p><p>আর উপাসনা কর আল্লাহর, শরীক করো না তাঁর সাথে অপর কাউকে। পিতা-মাতার সাথে সৎ ও সদয় ব্যবহার কর এবং নিকটাত্নীয়, এতীম-মিসকীন, প্রতিবেশী, অসহায় মুসাফির এবং নিজের দাস-দাসীর প্রতিও। নিশ্চয়ই আল্লাহ পছন্দ করেন না দাম্ভিক-গর্বিতজনকে। (৪:৩৬)</p><p><strong>হাদীস (সিহাহ সিত্তাহ) :</strong></p><p>১.</p><p>حدثنا قتيبة بن سعيد بن جميل بن طريف الثقفى وزهير بن حرب قالا حدثنا جرير عن عمارة بن القعقاع عن أبى زرعة عن أبى هريرة قال جاء رجل إلى رسول الله -صلى الله عليه وسلم- فقال من أحق الناس بحسن صحابتى قال « أمك ». قال ثم من قال « ثم أمك ». قال ثم من قال « ثم أمك ». قال ثم من قال « ثم أبوك ». وفى حديث قتيبة من أحق بحسن صحابتى ولم يذكر الناس. )</p><p>এক ব্যক্তি নবীজীর স. কাছে এসে বলল, সদ্ব্যবহার পাওয়ার অধিকার বেশি কোন মানুষের? তিনি বললেন, তোমার মা। লোকটা বলল, এরপর কে? তিনি বললেন, এরপরও তোমার মা। লোকটা বলল, এরপর কে? তিনি বললেন, এরপরও তোমার মা। লোকটা বলল, এরপর কে? তিনি বললেন, এরপর তোমার বাবা। -বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী</p><p>২.</p><p>حدثنا أبو بكر بن أبى شيبة وزهير بن حرب قالا حدثنا وكيع عن سفيان عن حبيب ح وحدثنا محمد بن المثنى حدثنا يحيى - يعنى ابن سعيد القطان - عن سفيان وشعبة قالا حدثنا حبيب عن أبى العباس عن عبد الله بن عمرو قال جاء رجل إلى النبى -صلى الله عليه وسلم- يستأذنه فى الجهاد فقال « أحى والداك ». قال نعم. قال « ففيهما فجاهد ».</p><p>এক ব্যক্তি নবীজীর স. কাছে এসে জিহাদের জন্য অনুমতি চাইল। নবীজী স. বললেন, তোমার পিতা-মাতা ‌জীবীত নাকি? লোকটা বলল,হ্যাঁ। তিনি বললেন, তাহলে তাদের জন্যই পরিশ্রম করো (এতেই তুমি জিহাদের সওয়াব পাবে)। -বুখারী, মুসলিম</p><p>৩.</p><p>حدثنا سعيد بن منصور حدثنا عبد الله بن وهب أخبرنى عمرو بن الحارث عن يزيد بن أبى حبيب أن ناعما مولى أم سلمة حدثه أن عبد الله بن عمرو بن العاص قال أقبل رجل إلى نبى الله -صلى الله عليه وسلم- فقال أبايعك على الهجرة والجهاد أبتغى الأجر من الله. قال « فهل من والديك أحد حى ». قال نعم بل كلاهما. قال « فتبتغى الأجر من الله ». قال نعم. قال « فارجع إلى والديك فأحسن صحبتهما ».</p><p>এক ব্যক্তি নবীজীর স. কাছে এসে বলল, আমি আল্লাহর কাছে সওয়াবের আশায় আপনার হাতে হিজরত ও জিহাদের ব্যাপারে শপথ করছি। নবীজী স. বললেন, তোমার পিতা-মাতার কোনো একজন ‌জীবীত নাকি? লোকটা বলল,হ্যাঁ, বরং উভয়ই। তিনি বললেন, তুমি তো আল্লাহর কাছে সওয়াব আশা করো। লোকটা বলল, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তাহলে তোমার পিতা-মাতার কাছে ফিরে যাও এবং তাদের সাথে সদ্ব্যবহার করো। - মুসলিম</p><p>৪.</p><p>حدثنا شيبان بن فروخ حدثنا أبو عوانة عن سهيل عن أبيه عن أبى هريرة عن النبى -صلى الله عليه وسلم- قال « رغم أنف ثم رغم أنف ثم رغم أنف ». قيل من يا رسول الله قال « من أدرك أبويه عند الكبر أحدهما أو كليهما فلم يدخل الجنة ».</p><p>একদা নবীজী স. বললেন, ধ্বংস হোক। ধ্বংস হোক। পুনরায় ধ্বংস হোক। বলা হলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! কার কথা বলছেন? তিনি বললেন, যে তার পিতা-মাতা উভয়কে বা কোনো একজনকে বৃদ্ধাবস্থায় পেয়েছে, অথচ এরপরও সে (তাদের খিদমত করে) জান্নাতে যেতে পারে নি। -মুসলিম</p><p>৫.</p><p>حدثنى أبو الطاهر أخبرنا عبد الله بن وهب أخبرنى حيوة بن شريح عن ابن الهاد عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أن النبى -صلى الله عليه وسلم- قال « أبر البر أن يصل الرجل ود أبيه ».</p><p>নবীজী স. বলেছেন, সর্বোত্তম কাজ হলো, পিতার সৃহৃদদের (বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়স্বজন) সাথে সম্পর্ক রাখা। বুখারী, মুসলিম</p><p>৬.</p><p>حدثنا أبو حفص عمرو بن علي حدثنا خالد بن الحرث حدثنا شعبة عن يعلى بن عطاء عن أبيه عن عبد الله بن عمرو : عن النبي صلى الله عليه و سلم قال رضي الرب في رضى الوالد وسخط الرب في سخط الوالد</p><p>নবীজী স. বলেছেন, পিতা-মাতার সন্তুষ্টিতে আল্লাহ সন্তুষ্ট হন, আর পিতা-মাতার অসন্তুষ্টিতে আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন। -তিরমিযী</p><p>৭.</p><p>حدثنا ابن أبي عمر حدثنا سفيان بن عيينة عن عطاء بن السائب الهجيمي عن ابي عبد الرحمن السلمي عن ابي الدرداء : أن رجلا أتاه فقال إن لي امراة وإن أمي تأمرني بطلاقها قال أبو الدرداء سمعت رسول الله صلى الله عليه و سلم يقول الوالد أوسط أبواب الجنة فإن شئت فأضع ذلك الباب أو احفظه</p><p>আবু দারদা রা. বলেন, আমি নবীজীকে স. বলতে শুনেছি, পিতা-মাতা জান্নাতের মাঝের দরজা। যদি চাও, দরজাটি নষ্ট করে ফেলতে পারো, নতুবা তা সংরক্ষণও করতে পারো। - তিরমিযী</p><p>৮.</p><p>حدثنا حميد بن مسعدة حدثنا بشر بن المفضل حدثنا الجريري عن عبد الرحمن بن أبي بكرة عهن أبيه قال : قال رسول الله صلى الله عليه و سلم ألا أحدثكم بأكبر الكبائر ؟ قالوا بلى يا رسول الله قال الإشراك بالله وعقوق الوالدين قال وجلس وكان متكئا فقال وشهادة الزور أو قول الزور فما زال رسول الله صلى الله عليه و سلم يقولها حتى قلنا ليته سكت</p><p>রাসূলুল্লাহ স. বলেন, আমি কি তোমাদেরকে সবচেয়ে বড় কবীরা গোনাহ কোনগুলো তা বলব না? সাহাবাগণ বললেন, অবশ্যই ইয়া রাসূলাল্লাহ। তিনি বললেন, আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা, পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া। বর্ণনাকারী বলেন, এতটুকু বলে নবীজী স. বসে পড়লেন, এতক্ষণ তিনি হেলান দিয়ে ছিলেন। অত:পর নবীজী স. বললেন, মিথা সাক্ষ্য দেয়া। এ কথাটি তিনি এতবার বলতে থাকলেন যে আমরা মনে মনে বললাম, আর যদি না বলতেন! -তিরমিযী</p><p>৯.</p><p>حدثنا قتيبة حدثنا الليث بن سعد عن ابن الهاد عن سعد بن إبراهيم عن حميد بن عبد الرحمن عن عبد الله بن عمرو قال : قال رسول الله صلى الله عليه و سلم من الكبائر أن يشتم الرجل والديته قالوا يا رسول الله وهل يشتم الرجل والديه ؟ قال نعم يسب أبا الرجل فيشتم أباه ويشتم أمه فيسب أمه</p><p>রাসূলুল্লাহ স. বলেন, অন্যতম কবীরা গোনাহ হলো, ব্যক্তি তার পিতা-মাতাকে গালমন্দ করা। সাহাবাগণ বললেন, পিতা-মাতাকেও কি কেউ গালমন্দ করে? নবীজী স. বললেন, হ্যাঁ। কেউ কারো পিতাকে গালি দিলে সেও তার পিতাকে গালি দেয়। আবার কেউ কারো মাকে গালি দিলে, সেও তার মাকে গালি দিলে। (এভাবে অন্যের পিতা-মাতাকে গালমন্দ করলে প্রকারান্তরে নিজের পিতা-মাতাকেই গালমন্দ করা হয়।) -তিরমিযী</p><p>১০.</p><p>حدثنا علي بن حجر أخبرنا إسماعيل بن إبراهيم عن هشام الدستوائي عن يحيى بن أبي كثير عن ابي جعفر عن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى الله عليه و سلم ثلاث دعوات مستجابات لا شك فيهن دعوة المظلوم ودعوة المسافر ودعوة الوالد على ولده</p><p>রাসূলুল্লাহ স. বলেন, তিন রকম দোয়া নি:সন্দেহে কবুল হয়। মজলুমের দোয়া, মুসাফিরের দোয়া আর সন্তানের জন্য পিতা-মাতার দোয়া। -তিরমিযী</p><p>১১.</p><p>حدثنا أحمد بن محمد بن موسى أخبرنا عن سهيل بن أبي صالح عن أبيه عن أبي هريرة قال : قال رسول الله عليه وسلم لا يجزي ولد والدا إلا أن يجده مملوكا فيشتريه فيعتقه</p><p>রাসূলুল্লাহ স. বলেন, সন্তান কোনো ভাবেই পিতা-মাতাকে প্রতিদান দিতে পারে না। তবে যদি পিতা-মাতা গোলাম হয়, তখন তাকে ক্রয় করে আজাদ করে দিলে হয়ত প্রতিদান হয়। -তিরমিযী</p><p><strong>প্রচলিত ভুল:</strong></p><p>জনমুখে একটা হাদীস প্রসিদ্ধ। সেটা হলো,</p><p>الجنة تحت اقدام الامهات</p><p>মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত।</p><p>এই হাদীসটি এই শব্দে হাদীস নিরীক্ষকগণ মুনকার বলেছেন। তবে হাদীসটির অর্থ সঠিক। সুনানে নাসায়ীতে নিম্ন বর্ণিত হাদীসটি আছে।</p><p>أن جاهمة جاء إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله أردت أن أغزو وقد جئت أستشيرك فقال هل لك من أم قال نعم قال فالزمها فإن الجنة تحت رجليها</p><p>জাহিমা নবীজীর স. কাছে এসে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি যুদ্ধে যেতে চাচ্ছি। আপনার কাছে পরামর্শের জন্য এসেছি। তিনি বললেন, তোমার মা আছে কি? লোকটা বলল, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তাহলে তাঁকে সঙ্গ দাও। কেননা জান্নাত তাঁর দুই পায়ের নিচে।</p><p>অনুরূপভাবে সুনানে তিরমিযীতেও একটি হাদীস আছে, যা পূর্বেও উল্লেখ করেছি।</p><p>حدثنا ابن أبي عمر حدثنا سفيان بن عيينة عن عطاء بن السائب الهجيمي عن ابي عبد الرحمن السلمي عن ابي الدرداء : أن رجلا أتاه فقال إن لي امراة وإن أمي تأمرني بطلاقها قال أبو الدرداء سمعت رسول الله صلى الله عليه و سلم يقول الوالد أوسط أبواب الجنة فإن شئت فأضع ذلك الباب أو احفظه</p><p>আবু দারদা রা. বলেন, আমি নবীজীকে স. বলতে শুনেছি, পিতা-মাতা জান্নাতের মাঝের দরজা। যদি চাও, দরজাটি নষ্ট করে ফেলতে পারো, নতুবা তা সংরক্ষণও করতে পারো।</p><p>আবার ইবনে মাজাহতেও একটি হাদীস আছে। যদিও আলবানী রহ. হাদীসটিকে দয়ীফ বলেছেন।</p><p>حدثنا هشام بن عمار . حدثنا صدقة بن خالد . حدثنا عثمان بن أبي العاتكة عن علي ابن يزيد عن القاسم عن أبي أمامة أن رجلا قال يا رسول الله ماحق الوالدين على ولدهما ؟ : قال ( هما جنتك ونارك )</p><p>এক ব্যক্তি নবীজী স. কে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার অধিকার কী? তিনি বললেন, তাঁরা তোমার জান্নাত। এবং তাঁরাই তোমার জাহান্নাম। (তাদের সাথে সদ্ব্যবহার জান্নাতের কারণ, আর অসদ্ব্যবহার জাহান্নামের কারণ)</p><p>--------------------------------------<br />পূর্বে প্রকাশিত : ব্যক্তিগত ব্লগে : <a href="http://yousufsultan.com/posts/660">http://yousufsultan.com/posts/660</a></p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[চিন্ময়]]></name>
				<uri>http://www.idbangla.com/forums/profile.php?id=91</uri>
			</author>
			<updated>2010-09-02T16:59:40Z</updated>
			<id>http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2272&amp;action=new</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[ইসহাক নন, ইসমাইলই (আ.) ছিলেন যাবীহ : একটি দলীলভিত্তিক পর্যালোচনা]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2322&amp;action=new"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<p>ইব্রাহীম আ. কাকে যবেহের জন্য নির্দেশিত হয়েছিলেন, ইসমাইল নাকি ইসহাককে আ., সে প্রশ্ন এখন মুখে মুখে। যদিও এক সামান্য ঘটনার কারণে এ প্রশ্নের জন্ম, তবু একটি ইমানী দায়িত্ব মনে করে, এটাকে সিরফ উড়িয়ে দেয়ার বিষয় মনে না করে সংক্ষেপে ব্যাপারটা খোলাসা করা ইচ্ছায় এ পোষ্টটি লিখলাম। আল্লাহ আমাদেরকে সন্দেহাতীত ইমান দান করুন। আমীন।</p><p>আল্লাহ তায়ালা কুরআনে মাত্র এক জায়গায় ইব্রাহীম আ. এর জবেহের ঘটনা বর্ণনা করেছেন। কাজেই এই আয়াতকে সামনে রেখে অন্যান্য আয়াতকে পর্যালোচনা করতে হবে। প্রথমে চলুন আয়াতটি দেখে নিই:</p><p>সূরা সাফফাতের ৯৯-১১৩ আয়াতসমূহ :</p><p>(وَقَالَ إِنِّي ذَاهِبٌ إِلَى رَبِّي سَيَهْدِينِ رَبِّ هَبْ لِي مِنَ الصَّالِحِينَ فَبَشَّرْنَاهُ بِغُلَامٍ حَلِيمٍ فَلَمَّا بَلَغَ مَعَهُ السَّعْيَ قَالَ يَا بُنَيَّ إِنِّي أَرَى فِي الْمَنَامِ أَنِّي أَذْبَحُكَ فَانْظُرْ مَاذَا تَرَى قَالَ يَا أَبَتِ افْعَلْ مَا تُؤْمَرُ سَتَجِدُنِي إِنْ شَاءَ اللَّهُ مِنَ الصَّابِرِينَ فَلَمَّا أَسْلَمَا وَتَلَّهُ لِلْجَبِينِ وَنَادَيْنَاهُ أَن يَا إِبْرَاهِيمُ قَدْ صَدَّقْتَ الرُّؤْيَا إِنَّا كَذَلِكَ نَجْزِي الْمُحْسِنِينَ إِنَّ هَذَا لَهُوَ الْبَلَاءُ الْمُبِينُ وَفَدَيْنَاهُ بِذِبْحٍ عَظِيمٍ وَتَرَكْنَا عَلَيْهِ فِي الْآَخِرِينَ سَلَامٌ عَلَى إِبْرَاهِيمَ كَذَلِكَ نَجْزِي الْمُحْسِنِينَ إِنَّهُ مِنْ عِبَادِنَا الْمُؤْمِنِينَ وَبَشَّرْنَاهُ بِإِسْحَاقَ نَبِيًّا مِنَ الصَّالِحِينَ وَبَارَكْنَا عَلَيْهِ وَعَلَى إِسْحَاقَ وَمِنْ ذُرِّيَّتِهِمَا مُحْسِنٌ وَظَالِمٌ لِنَفْسِهِ مُبِينٌ). [الصافات:99-113].</p><br /><p>সে বললঃ আমি আমার পালনকর্তার দিকে চললাম, তিনি আমাকে পথপ্রদর্শন করবেন। হে আমার পরওয়ারদেগার! আমাকে এক সৎপুত্র দান কর। সুতরাং আমি তাকে এক সহনশীল পুত্রের <strong>সুসংবাদ </strong>দান করলাম। অতঃপর সে যখন পিতার সাথে চলাফেরা করার বয়সে উপনীত হল, তখন ইব্রাহীম তাকে বললঃ বৎস! আমি স্বপ্নে দেখিযে, তোমাকে যবেহ করছি; এখন তোমার অভিমত কি দেখ। সে বললঃ পিতাঃ! আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে, তাই করুন। আল্লাহ চাহে তো আপনি আমাকে সবরকারী পাবেন। যখন পিতা-পুত্র উভয়েই আনুগত্য প্রকাশ করল এবং ইব্রাহীম তাকে যবেহ করার জন্যে শায়িত করল। তখন আমি তাকে ডেকে বললামঃ হে ইব্রাহীম, তুমি তো স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করে দেখালে! আমি এভাবেই সৎকর্মীদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি। নিশ্চয় এটা এক সুস্পষ্ট পরীক্ষা। আমি তার পরিবর্তে দিলাম যবেহ করার জন্যে এক মহান জন্তু। আমি তার জন্যে এ বিষয়টি পরবর্তীদের মধ্যে রেখে দিয়েছি যে, ইব্রাহীমের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক। এমনিভাবে আমি সৎকর্মীদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি। সে ছিল আমার বিশ্বাসী বান্দাদের একজন। আমি তাকে <strong>সুসংবাদ </strong>দিয়েছি ইসহাকের, সে সৎকর্মীদের মধ্য থেকে একজন নবী। (সূরা সাফফাত : ৩৭:৯৯-১১৩)</p><p>এবার আসুন এই আয়াতের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করা যাক।</p><p><strong>এক:</strong></p><p>এই আয়াতে দুটো সুসংবাদ দেয়া হয়েছে।</p><p>১) ইব্রাহীম আ.স্বদেশ ছেড়ে যখন সিরিয়া চলে যান, তখন আল্লাহর কাছে একটি সৎ পূত্রসন্তানের জন্য দোয়া করেন। এই পূত্রকেই তিনি যবেহের জন্য নিয়ে যান, যা আমরা আয়াত থেকে বুঝতে পারি।</p><p>২) আরেকটি সন্তানের নবী হওয়ার সুসংবাদ।</p><p>এখানে সুসংবাদ দুটো কীভাবে হলো, তা বিস্তারিত বলার কোনো প্রয়োজন মনে করছি না। একটি সুসংবাদের আদ্যপান্ত বর্ণনার পরই যেহেতু আরেকটি সুসংবাদ আল্লাহ দিচ্ছেন, তাই স্বভাবতই আমরা বুঝে নিই যে, সুসংবাদ এখানে দুটো এবং ভিন্ন। নতুবা একই জায়গায় একই বিষয়ে দুই বার ‘আমি সুসংবাদ দিয়েছি’ বলার কোনো অর্থ হয় না। আর আল্লাহর কোনো কথা নিরর্থক নয়।</p><p>যাহোক, দ্বিতীয় সুসংবাদটা নিশ্চিতভাবেই ইসহাক আ. এর ব্যাপারে, কারণ আল্লাহ সেখানে তাঁর নাম উল্লেখ করেছেন। কাজেই প্রথম সুসংবাদটা অবশ্যই ইসমাইল আ.এর ব্যাপারেই নির্দিষ্ট হবে। কারণ ইব্রাহীম আ. এর আর কোনো সন্তান ছিল না।</p><p>প্রথম সুসংবাদ ইসমাইল আ. এর ব্যাপারে নির্দিষ্ট হলে যবীহও তিনিই হবেন। কারণ প্রথম সুসংবাদটা যার ব্যাপারে দেয়া হয়েছে, আয়াতে যবেহের ঘটনা তাকে কেন্দ্র করেই বলা হয়েছে।</p><p><strong>দুই:</strong></p><p>ইসহাক আ. এর ব্যাপারে সুসংবাদ দিতে গিয়ে সূরা হুদে আল্লাহ তায়ালা বলেন,</p><p>وَامْرَأَتُهُ قَائِمَةٌ فَضَحِكَتْ فَبَشَّرْنَاهَا بِإِسْحَاقَ وَمِن وَرَاءِ إِسْحَاقَ يَعْقُوبَ – قَالَتْ يَا وَيْلَتَىٰ أَأَلِدُ وَأَنَا عَجُوزٌ وَهَٰذَا بَعْلِي شَيْخًا ۖ إِنَّ هَٰذَا لَشَيْءٌ عَجِيبٌ – قَالُوا أَتَعْجَبِينَ مِنْ أَمْرِ اللَّهِ ۖ رَحْمَتُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ عَلَيْكُمْ أَهْلَ الْبَيْتِ ۚ إِنَّهُ حَمِيدٌ مَّجِيدٌ – فَلَمَّا ذَهَبَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ الرَّوْعُ وَجَاءَتْهُ الْبُشْرَىٰ يُجَادِلُنَا فِي قَوْمِ لُوطٍ – إِنَّ إِبْرَاهِيمَ لَحَلِيمٌ أَوَّاهٌ مُّنِيبٌ</p><p>তাঁর স্ত্রীও নিকটেই দাড়িয়েছিল, সে হেসে ফেলল। অতঃপর আমি তাকে ইসহাকের জন্মের সুখবর দিলাম এবং ইসহাকের পরের ইয়াকুবেরও। সে বলল-কি দুর্ভাগ্য আমার! আমি সন্তান প্রসব করব? অথচ আমি বার্ধক্যের শেষ প্রান্তে এসে উপনীত হয়েছি আর আমার স্বামীও বৃদ্ধ, এতো ভারী আশ্চর্য কথা। তারা বলল-তুমি আল্লাহর হুকুম সম্পর্কে বিস্ময়বোধ করছ? হে গৃহবাসীরা, তোমাদের উপর আল্লাহর রহমত ও প্রভুত বরকত রয়েছে। নিশ্চয় আল্লাহ প্রশংসিত মহিমাময়। অতঃপর যখন ইব্রাহীম (আঃ) এর আতঙ্ক দূর হল এবং তিনি সুসংবাদ প্রাপ্ত হলেন, তখন তিনি আমার সাথে তর্ক শুরু করলেন কওমে লূত সম্পর্কে। ইব্রাহীম (আঃ) বড়ই ধৈর্য্যশীল, কোমল অন্তর, আল্লাহমুখী সন্দেহ নেই। (সূরা হুদ : ১১:৭১-৭৪)</p><p>লক্ষ্য করুন, এই সুসংবাদ দেয়ার পূর্বে ইব্রাহীম আ. এর কোনো প্রার্থনা/দোয়া নেই। বরং, তাঁর স্ত্রীর বার্ধক্যজনিত উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা প্রকাশ পেয়েছে এতে। আর এ সুসংবাদের অধীনে ইসহাক আ. এর পূত্র ইয়াকুব আ. এর জন্মের্ও সুসংবাদ আছে, যা সূরা সাফফাতে বর্ণিত প্রথম সুসংবাদে নেই। কাজেই সেই সুসংবাদের সাথে এই সুসংবাদের দ্বৈত্য স্পষ্ট।</p><p>আর এই সুসংবাদে যেহেতু ইসহাক আ. এর নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, কাজেই সূরা সাফফাতের সুসংবাদটি ইসমাইল আ. এর ব্যাপারেই নির্দিষ্ট হয়ে গেল। ফলে, যবীহ ইসমাইলই আ. হলেন, ইসহাক আ. নন।</p><p><strong>তিন:</strong></p><p>সূরা হুদের উপরোক্ত আয়াতসমূহে আল্লাহ তায়ালা ইসহাক আ. এর সন্তান হিসেবে ইয়াকুব আ. এর জন্মের সুসংবাদ দিয়েছেন। যাতে বোঝা যায়, ইসহাক আ. বেঁচে থাকবেন, নতুবা তার সন্তান আসবে কী করে!শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ রহ. এ প্রসঙ্গে একটি চমৎকার কথা বলেন। তিনি বলেন,</p><p>قال شيخ الإسلام ابن تيمية – رحمه الله -: “ومما يدل على أن الذبيح ليس هو إسحاق أن الله تعالى قال: (فَبَشَّرْنَاهَا بِإِسْحَاقَ وَمِن وَرَاءِ إِسْحَاقَ يَعْقُوبَ)، فكيف يأمر بعد ذلك بذبحه؟، والبشارة بيعقوب تقتضي أن إسحاق يعيش ويولد له يعقوب ، ولا خلاف بين الناس أن قصة الذبيح كانت قبل ولادة يعقوب، بل يعقوب إنما ولد بعد موت إبراهيم عليه السلام، وقصة الذبيح كانت في حياة إبراهيم عليه السلام بلا ريب” [مجموع الفتاوى (4/335)].</p><p><em>যাবীহ যে ইসহাক আ. নন, তার বড় দলীল হলো, আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, “অতঃপর আমি তাকে ইসহাকের জন্মের সুখবর দিলাম এবং ইসহাকের পরের ইয়াকুবেরও।” যদি ইসহাক আ. এর সন্তান হিসেবে ইয়াকুব আ. এর জন্মের সুসংবাদ দিয়েই থাকেন, তাহলে আবার কীভাবে ইসহাক আ. এর যবেহের সুসংবাদ দিবেন? কারণ ইয়াকুব আ. এর জন্মের সুসংবাদই প্রমাণ করে যে ইসহাক আ. বেঁচে থাকবেন, তাঁর ইয়াকুব নামে একটি সন্তান হবে (ফলে তার যবেহের কথা বলা নিরর্থক)।</em></p><p><em>আর এ ব্যাপারে কোনো দ্বিমত নেই যে, যবেহের ঘটনা ইয়াকুব আ. এর জন্মের পূর্বে হয়েছে। বরং, ইয়াকুব আ. তো ইব্রাহীম আ. (দাদা) এর মৃত্যুর পর জন্ম গ্রহণ করেছেন। আর যবেহের ঘটনা নি:সন্দেহে ইব্রাহীম আ. এর জীবদ্দশায় হয়েছে। (ইয়াকুব আ. এর জন্ম ইব্রাহীম আ. এর মৃত্যুর পর। তার মানে, ইব্রাহীম আ. এর জীবদ্দশায় ইয়াকুব আ. এর জন্ম হয়নি। এখন যদি বলা হয় যে ইসহাক আ. কেই যবেহ করা হয়েছে, তাহলে আল্লাহ তাঁর ঘরে ইয়াকুব আ. এর জন্মের যে সুসংবাদ দিয়েছেন, তার কোনো অর্থ থাকে না। কারণ, ইয়াকুব আ. এর জন্মের সুসংবাদ = ইসহাক আ. এর বেঁচে থাকার সুসংবাদ। আর যবেহ তার বিপরীত। কাজে কাজেই সুতরাং, … ইসমাইল আ. ই যবীহ ছিলেন।) – (মাজমুয়ুল ফাতাউই : ৪/৩৩৫)</em></p><p><strong>চার:</strong></p><p>আল্লাহ তায়ালা যবেহ হওয়া সন্তানের গুণ বর্ণনা করে বলেছেন,তিনি غلام حليم বা সহনশীল বালক। (সূরা সাফফাত ৩৭:১০১)</p><p>আর ইসহাক আ. এর গুণ বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন,</p><p>তিনি غلام عليم বা জ্ঞানী বালক।</p><p>قَالُوا لَا تَوْجَلْ إِنَّا نُبَشِّرُكَ بِغُلَامٍ عَلِيمٍ [١٥:٥٣]</p><p>তারা বললঃ ভয় করবেন না। আমরা আপনাকে একজন জ্ঞানবান ছেলে-সন্তানের সুসংবাদ দিচ্ছি। (১৫:৫৩)</p><p>ওদিকে ইসমাইল আ. এর গুণ বর্ণনায় তিনি বলেন,</p><p>১. তিনি ধৈর্য্যশীল।</p><p>(وَإِسْمَاعِيلَ وَإِدْرِيسَ وَذَا الْكِفْلِ كُلٌّ مِنَ الصَّابِرِينَ) [الأنبياء:85]</p><p>এবং ইসমাঈল, ই’দ্রীস ও যুলকিফলের কথা স্মরণ করুন, তাঁরা প্রত্যেকেই ছিলেন সবরকারী। (সূরা আম্বিয়া: ২১:৮৫)</p><p>(يَا أَبَتِ افْعَلْ مَا تُؤْمَرُ سَتَجِدُنِي إِنْ شَاءَ اللَّهُ مِنَ الصَّابِرِينَ).</p><p>সে বললঃ পিতাঃ! আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে, তাই করুন। আল্লাহ চাহে তো আপনি আমাকে সবরকারী পাবেন। (সূরা সাফফাত : ৩৭:১১২)</p><p>২. তিনি অঙ্গীকার পালনকারী।</p><p>{إِنَّهُ كَانَ صَادِقَ الْوَعْدِ } [ مريم : 54 ]</p><p>তিনি প্রতিশ্রুতি পালনে সত্যাশ্রয়ী (সূরা মরিয়ম : ১৯:৫৪)</p><p>লক্ষ্য করুন, যবেহ হওয়া সন্তানের গুণের সাথে ইসমাইল আ. এর গুণাগুনই মিলছে। সহনশীল আর ধৈর্য্যশীল সমার্থক শব্দ। যেহেতু আল্লাহ এই গুণবাচক শব্দটি উল্লেখ করেছেন, কাজেই এই গুণ দিয়ে একজনকে অপরজন থেকে পৃথক করে বোঝানোই উদ্দেশ্য হবে। সুতরাং, সহনশীল সে বালক হবেন ইসমাইল আ., অন্য কেউ নন।</p><p><strong>পাঁচ:</strong></p><p>ইসহাক আ. এর জন্ম হয়েছে তাঁর মা সারার বৃদ্ধাবস্থায়। ফলে তা ইব্রাহীম আ. এর একটি মুজিযা ছিল। আর যেহেতু উভয়েই বৃদ্ধ ছিলেন, তাই এটি উভয়ের জন্যই সুসংবাদ ছিল।</p><p>وَامْرَأَتُهُ قَائِمَةٌ فَضَحِكَتْ فَبَشَّرْنَاهَا بِإِسْحَاقَ وَمِن وَرَاءِ إِسْحَاقَ يَعْقُوبَ – قَالَتْ يَا وَيْلَتَىٰ أَأَلِدُ وَأَنَا عَجُوزٌ وَهَٰذَا بَعْلِي شَيْخًا ۖ إِنَّ هَٰذَا لَشَيْءٌ عَجِيبٌ – قَالُوا أَتَعْجَبِينَ مِنْ أَمْرِ اللَّهِ ۖ رَحْمَتُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ عَلَيْكُمْ أَهْلَ الْبَيْتِ ۚ إِنَّهُ حَمِيدٌ مَّجِيدٌ – فَلَمَّا ذَهَبَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ الرَّوْعُ وَجَاءَتْهُ الْبُشْرَىٰ يُجَادِلُنَا فِي قَوْمِ لُوطٍ – إِنَّ إِبْرَاهِيمَ لَحَلِيمٌ أَوَّاهٌ مُّنِيبٌ -</p><p>তাঁর স্ত্রীও নিকটেই দাড়িয়েছিল, সে হেসে ফেলল। অতঃপর আমি তাকে ইসহাকের জন্মের সুখবর দিলাম এবং ইসহাকের পরের ইয়াকুবেরও। সে বলল-কি দুর্ভাগ্য আমার! আমি সন্তান প্রসব করব? অথচ আমি বার্ধক্যের শেষ প্রান্তে এসে উপনীত হয়েছি আর আমার স্বামীও বৃদ্ধ, এতো ভারী আশ্চর্য কথা। তারা বলল-তুমি আল্লাহর হুকুম সম্পর্কে বিস্ময়বোধ করছ? হে গৃহবাসীরা, তোমাদের উপর আল্লাহর রহমত ও প্রভুত বরকত রয়েছে। নিশ্চয় আল্লাহ প্রশংসিত মহিমাময়। অতঃপর যখন ইব্রাহীম (আঃ) এর আতঙ্ক দূর হল এবং তিনি সুসংবাদ প্রাপ্ত হলেন, তখন তিনি আমার সাথে তর্ক শুরু করলেন কওমে লূত সম্পর্কে। ইব্রাহীম (আঃ) বড়ই ধৈর্য্যশীল, কোমল অন্তর, আল্লাহমুখী সন্দেহ নেই। (সূরা হুদ : ১১:৭১-৭৪)</p><p>অথচ জবেহের ব্যাপারে যে সুসংবাদ দেয়া হয়েছে, সে সুসংবাদ কেবল ইব্রাহীম আ. এর জন্য ছিল। এবং তা তিনি তার মাতৃভূমি ত্যাগ করা মাত্রই পেয়েছিলেন। (সূরা সাফফাত : ৩৭:৯৯-১০১)</p><p>ওই সুসংবাদে সন্তানের মায়ের কোনো বর্ণনা নেই, নেই বার্ধক্যের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার কোনো প্রকাশ। কাজেই উভয় সুসংবাদের মাঝে পার্থক্য স্পষ্ট। আর বার্ধক্যের সুসংবাদে যেহেতু ইসহাক আ. এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাই অপর সুসংবাদটি যে ইসমাইল আ. এর ব্যাপারে, তাতে আর কোনো সন্দেহ থাকছে না।</p><p><strong>ছয়:</strong></p><p>আল্লাহ যেসব আয়াতে ইব্রাহীম, ইসমাইল ও ইসহাক আ. এর নাম একসঙ্গে উল্লেখ করেছেন, সেসব আয়াতে ইব্রাহীম আ. এর পরই ইসমাইল আ. এর নাম উল্লেখ করেছেন। (উদাহরণস্বরূপ : সূরা বাক্বারা : ২:১৩২-১৩৩)</p><p>এতে বোঝা যায় যে তিনি ইব্রাহীম আ. এর প্রথম সন্তান ছিলেন। আর সূরা সাফফাতের আয়াতগুলো প্রমাণ করে যে তিনি তাঁর প্রথম সন্তানকেই যবেহ করেন। কারণ, স্বগোত্রকে ছেড়ে যাওয়ার পর তিনি নি:সন্তান থাকাবস্থায় নেক সন্তান কামনা করে দোয়া করেন।</p><p>الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي وَهَبَ لِي عَلَى الْكِبَرِ إِسْمَاعِيلَ وَإِسْحَاقَ ۚ إِنَّ رَبِّي لَسَمِيعُ الدُّعَاءِ [١٤:٣٩]</p><p>সমস্ত প্রশংসা আল্লাহরই, যিনি আমাকে এই বার্ধক্যে ইসমাঈল ও ইসহাক দান করেছেন নিশ্চয় আমার পালনকর্তা দোয়া শ্রবণ করেন। (সূরা ইব্রাহীম : ১৪:৩৯)</p><p><strong>সাত:</strong></p><p>তাওরাতে বর্ণনা আছে যে, ইব্রাহীম আ.এর প্রতি নির্দেশ এসেছিল “اذبح ابنك وحيدك” (তোমার একমাত্র সন্তানকে যবেহ করো।) আর এ কথায় মুসলিম-অমুসলিম কারো কোনো দ্বিমত নেই যে ইসমাইল আ. ই ইব্রাহীম আ. এর একমাত্র সন্তান ছিলেন। এবং অনেক পরে গিয়ে ইসহাক আ. এর জন্ম হয়।(মাজমুয়ুল ফাতাওয়া : ৪/৩৩২)</p><p><strong>আট:</strong></p><p>এ ব্যাপারে ঐতিহাসিকগণ একমত যে, যবেহের ঘটনা মক্কায় হয়েছে। আর মক্কায় ইব্রাহীম আ. এর সাথে কোনো সন্তান ছিলেন তার জবাব নিম্নের আয়াতে :</p><p>وَإِذْ يَرْفَعُ إِبْرَاهِيمُ الْقَوَاعِدَ مِنَ الْبَيْتِ وَإِسْمَاعِيلُ رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا إِنَّكَ أَنتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ</p><p>স্মরণ কর, যখন ইব্রাহীম ও ইসমাঈল কা’বাগৃহের ভিত্তি স্থাপন করছিল। তারা দোয়া করেছিলঃ পরওয়ারদেগার! আমাদের থেকে কবুল কর। নিশ্চয়ই তুমি শ্রবণকারী, সর্বজ্ঞ। (সূরা বাক্বারা : ১২৭)</p><p>এতে বোঝা যায় যে, মক্কায় ইব্রাহীম আ. এর সাথে ইসমাইল আ. ছিলেন। ইসহাক আ. শৈশবে কখনো মক্কা গিয়েছেন কিনা, তার কোনো প্রমাণ মেলে না।</p><p>ঘটনা হলো, ইব্রাহীম আ. আগুন থেকে মুক্তি পেয়ে (যা বাগানে পরিণত হয়) স্বদেশ মিশর ছেড়ে সিরিয়ায় চলে যান। সেখানে ইসমাইল আ. এর জন্ম হলে তাকে তার মা হাজেরা সহ মক্কায় নিয়ে আসেন। যেখানে জমজম, সাফা-মারওয়ার সায়ীসহ ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো ঘটে। সেখানেই ইসমাইল আ. বড় হলে তাকে নিয়ে তিনি কাবা পূন নির্মাণ করেন। আর এই মক্কাতেই তাকে যবেহ করার নির্দেশ লাভ করেন।</p><p>সারকথা, ইব্রাহীম আ. যাকে যবেহের ব্যাপারে নির্দেশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন, তিনি ইসমাইল আ.। ইহুদীরা তাওরাতের শব্দ (তোমার একমাত্র সন্তানকে যবেহ করো) এর পর “ইসহাক” শব্দটি জুড়ে দিয়ে লিখে দেয়, (তোমার একমাত্র সন্তান ইসহাক কে যবেহ করো)। (মাজমুয়ুল ফাতাওয়া : ৪/৩৩২) এ কারণেই ইসহাক আ. এর ব্যাপারে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়।</p><p>----<br />পূর্বে প্রকাশিত : <a href="http://yousufsultan.com/posts/ismail-was-jabih-not-ishaq/">http://yousufsultan.com/posts/ismail-wa &#133; not-ishaq/</a></p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[চিন্ময়]]></name>
				<uri>http://www.idbangla.com/forums/profile.php?id=91</uri>
			</author>
			<updated>2010-09-02T08:24:38Z</updated>
			<id>http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2322&amp;action=new</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[জীবন সম্পর্কে আমাদের ধারণা কেমন হওয়া উচিত]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2331&amp;action=new"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<p>হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে শিখখির (রাঃ) বর্ণনা করেন, একদিন আমি রাসূল (সাঃ ) কাছে এসে দেখি, তিনি সূরা তাকাসূর (&#039;আলহাকুমুত-তাকাসুর&#039;)-ধন সম্পদ ও প্রাচূর্য তোমাদের কে আখেরাতের কথা ভুলিয়ে রেখেছে) পাঠ করছেন।&nbsp; এরপর তিনি বললেনঃ আদমের সন্তানরা কেবল &#039;আমার ধন&#039;,&#039;আমার সম্পদ&#039; একথা আওড়াতে থেকে। অথচ হে আদম সন্তান! তোমার সম্পদ তো ততটুকুই,যতটুকু তুমি খেয়ে হযম করেছ, পরিধান করে করে পুরানো করেছে এবং দান খয়রাত করে আখেরাতের জন্য সঞ্চয় করেছ।&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp;(মুসলিম)</p><p>আরেকটা খুবই সুন্দর ও বাস্তবিক কথা আল্লাহর রাসূল বলেছিলেন একজন সাহাবীর প্রশ্নের জবাবে।<br />প্রশ্নটি ছিলঃ হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! আপনি আমায় এমন কোনো আমলের কথা বলে দিন ,যা করলে আল্লাহও আমায় ভালবাসবেন, মানুষও আমায় ভালবাসবে।<br />রাসূল(সাঃ) উত্তরে বলেছিলেনঃ &#039;তুমি দুনিয়ার প্রতি নিরাসক্ত হও,আল্লাহ তোমায় ভালবাসবেন। আর মানষের কাছে যা কিছু আছে, তার প্রতি নিরাসক্ত হও; তাহলে মানুষও তোমায় ভালবাসবে। (ইবনে মাজাহ)<br />স্যাটিসফ্যাক্টরি জীবনযাপনের কি দারুন ওয়ে তাইনা!আরো একটি হাদীস কোট করার লোভ সামলাতে পারছিনা। হাদীসটি এরকমঃ</p><p>হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রঃ) বর্ণনা করেনঃ একদিন রাসূল(সঃ) খেজুর পাতার একটা চাটাইয়ের উপর শুয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। ঘুম থেকে জেগে ওঠার পর আমরা তাঁর দেহে চাটাইয়ের দাগ দেখে বললামঃ &#039;হে আল্লাহর রাসূল(সঃ) ! আমরা যদি আপনার জন্য একটা তোষক বানিয়ে দেই,তাহলে কেমন হয়?<br />তিনি বললেনঃ &quot;(দেখ,) দুনিয়ার (আরাম-আয়েসের) সাথে আমার কি সম্পর্ক? আমি তো এ দুনিয়ার এ রকম একজন মুসাফির, যে গাছের ছায়াতলে কিছুক্ষণের জন্য বিশ্রাম নেয়; এরপর তা ছেড়ে দিয়ে গন্তব্যের দিকে চলে যায়।&quot;</p><p>এসব উদাহরণের পরে আমার যা মনে হয়েছে, আল্লাহর রাসূলের(সঃ) কাছে নিজের জীবন সম্পর্কে মূল্যায়ণ ছিল এই।গন্তব্যপানে অপেক্ষারত একজন মুসাফির। কিন্তু আমাদের যেই মণিব আমাদেরকে এই জীবন(Life-time) সহ দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন সে কর্তব্যের বোঝা অনেক ভারী।ঠিকভাবে তাঁর দাসত্ব করতে পারলাম কিনা,মানুষের কাছে নিজেকে তাঁর Representative হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেতে পারলাম কিনা, বিনা অহংকারে মানুষের হক আদায় করতে পারলাম কিনা। এদিকে যেকোন একদিন মণিব যখন ফিরিয়ে নিবেন সে সময় টুকু আমি Prepared অবস্থায় Back করতে পারব কিনা ইত্যাদি ইত্যাদি। এতসব চিন্তায় অস্থির থাকার সময় নিজের জীবনের বিলাসের দিকে তাকানোর কোনো সূযোগ নেই।<br /> কিন্তু এখানেই দৃষ্টি ফেরানোর ব্যাপারে আমাকে সাহায্য&nbsp; সহযোগীতায়, আল্লাহর সবচেয়ে নিকৃষ্ট সৃষ্টি্র (শয়তানের) আছে কঠিন Attention. আমার&nbsp; Attention সেদিকে ফেরানোর ব্যাপারে তার অনেক লাভ।তাহলে আমার বিলাস-বসনের অভাব আর কোনোদিন ফুরাবে না। তখন খালি মনে হবে আমার এটা নেই, সেটা নেই।এত্ত অভাব! আগে এর জন্য কাজ করে নিই। কি দায়িত্ব দিয়ে মণিবে পাঠিয়েছিল ,সেটা পরে দেখা যাবে, করেও ফেলা যাবে। এভাবে করে একদিন যখন আমার ফিরে যাওয়ার সময় হবে এবং ফিরেও যাব, তখন হিসেব -নিকেশে বের হবে,আমি তো আমার মণিবের গোলামী করেনি কিন্তু তাঁর সবচেয়ে অভিশপ্ত সৃষ্টি্র গোলামীতে ব্যস্ত ছিলাম।তখন আমাকে ও আমি যার গোলামী করেছি তাকে সহ আল্লাহর তৈরী নিকৃষ্ট বাসস্থানে বসবাসের জন্য পাঠানো হবে। এটাই শয়তানের লক্ষ্য।তাই তার ট্র্যাপে পা দেওয়া থেকে খুব সাবধানে চলা উচিত।আর আল্লহর আশ্রয়পার্থী হওয়া উচিত।<br /> পরিশেষে সূরা মূলকের অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ দুটি আয়াত দিয়ে শেষ করছি-</p><p>&quot;গৌরবময় যিনি সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী, তিনি সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান, যিনি &#039;মৃত্যু&#039; ও &#039;জীবন&#039; সৃষ্টি্ করেছেন,তোমাদের পরীক্ষার জন্য,কে তোমাদের মধ্যে কাজে সুন্দর?&quot;</p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[চিন্ময়]]></name>
				<uri>http://www.idbangla.com/forums/profile.php?id=99</uri>
			</author>
			<updated>2010-09-02T08:07:25Z</updated>
			<id>http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2331&amp;action=new</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[কে কে পাশে আছেন?]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2306&amp;action=new"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<p>আইডি বাংলার বয়স এক বছরের বেশি হয়ে গেল। আর কিছুদিন (আগামী ডিসেম্বরে) পর দুই বছর পূর্তি হবে। ইতিমধ্যে আইডিবাংলার ফোরামের কাজ শেষ হলেও হোমপেজের কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। মূলত ব্যস্ততার কারণে কাজগুলো শেষ হচ্ছে না। এর ভেতরে একটি কোম্পানী শুরু করলাম, শাবাকা সফট লিমিটেড। ইচ্ছে ছিলো শাবাকা সফটের ডেভেলপমেন্ট টীমের প্রজেক্ট করে কাজটা দ্রুত শেষ করে ফেলবো, কিন্তু কোম্পানী একের পর এক কাজ পেতে পেতে এমন অবস্থা হয়েছে যে আগামী ছয় মাসেও আর এই সাইটের কাজে হাত দেয়া সম্ভব না। তাই ঠিক করলাম অবসর সময়টা এর পেছনে ব্যয় করবো। অবসর না মিললেও প্রতিদিন কমপক্ষে দুই ঘন্টা করে দেয়ার ইচ্ছে রইলো।</p><p>কে কে সাথে আছেন? আপাতত কোন কাজ করতে হচ্ছে না... শুধু উৎসাহ যোগালেই হবে।</p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[মাহমুদ রহমান]]></name>
				<uri>http://www.idbangla.com/forums/profile.php?id=40</uri>
			</author>
			<updated>2010-09-01T22:38:58Z</updated>
			<id>http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2306&amp;action=new</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[রমজান এর সব লিংক একসাথে - (english)]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2315&amp;action=new"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<p>এখনে পাবেন অনেক গুলো বই , ভিডিও লেকচার , অডিও লেকচার সহ অনেককিছু ।</p><p><a href="http://www.kalamullah.com/ramadan.html">http://www.kalamullah.com/ramadan.html</a></p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[confuse]]></name>
				<uri>http://www.idbangla.com/forums/profile.php?id=697</uri>
			</author>
			<updated>2010-09-01T16:02:35Z</updated>
			<id>http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2315&amp;action=new</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[Check Indian, Afghan Dams For Floods In Pakistan]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2330&amp;action=new"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<p><a href="http://www.haqeeqat.org/2010/08/18/check-indian-afghan-dams-for-floods-in-pakistan/">http://www.haqeeqat.org/2010/08/18/chec &#133; -pakistan/</a></p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[হৈচৈ]]></name>
				<uri>http://www.idbangla.com/forums/profile.php?id=181</uri>
			</author>
			<updated>2010-09-01T13:36:07Z</updated>
			<id>http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2330&amp;action=new</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[রোযায় খাদ্যাভ্যাস ও আপনার স্বাস্থ্য]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2327&amp;action=new"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<p>রহমত, বরকত ও মাগফিরাত এর পয়গাম নিয়ে আসে মাহে রমজান। আমাদের দেহযন্ত্রটি সার্ভিসিং করার জন্যই এ মাসের আগমন ; শুধু দেহই নয়, আত্নার পরিশুদ্ধিরও এক বিশাল সুযোগ দেয়া হয়ছে এ মাসে। </p><p>&nbsp; রোযার মাসে খাওয়া দাওয়া ও সাস্থ্যগত সমস্যা নিয়ে কম বেশী অভিযোগ নেই এমন মানুষ পাওয়া মুশকিল। এসিডিটি, পেটের গোলযোগ আর দুর্বলতা নিয়ে তাদের অভিযোগ লেগেই থাকে। তখন সব দোষ গিয়ে পড়ে রোযার উপর। অসুখে পড়বেন বলে রোযা রাখেন না এমন মানুষও একদম কম নেই। আসলে দোষ কিন্তু রোযা বা খাবার কোনটিরই না... সমস্যা আমাদের নিজেদের অভ্যাসের। রোযার সময়&nbsp; যদি আমরা প্রচলিত ভাজাভুজি বা বেশী মসলাযুক্ত খাবার&nbsp; খাওয়ার অভ্যাস বাদ দিয়ে খাবারের মেনুতে ও রান্নার প্রণালীতে একটু পরিবর্তন আনি, তাহলে কিন্তু পু্রো রোযার মাসটাই সুস্থভাবে কাটানো যাবে। অনেক অসুখ-বিসুখের সমাধান কিন্তু রোযা রাখা বা কম খাওয়া।&nbsp; ইসলাম ধর্ম ছাড়া আরও কিছু ধর্মে উপবাসের প্রথা চালু আছে। কিন্তু ইসলাম ধর্মের মত এত সহজ ও স্বাস্থসম্মত নিয়ম-নীতি অন্য কোন ধর্মে নেই। তাই রোযা অনেকগুলো রোগ-ব্যাধির চিকিৎসাও বটে ।</p><p>সাহরীতে যা খাওয়া উচিত :</p><p>&nbsp; সাহরীর খাবার এমন হওয়া উচিত যা দীর্ঘক্ষন পেটে থাকে অর্থাৎ হজম হতে বেশি সময় লাগে। কেউ কেউ মনে করেন, সাহরীতে প্রচুর পরিমান আমিষ ( Protien) জাতীয় খাবার খেলে সারাদিন একটু সবল থাকা যাবে। কেঊ কেউ আবার ভাত (Carbohydrate) বেশী খাওয়ার পক্ষপাতি। আসলে এর কোনটিই ঠিক নয়। সাহরীতে খাবারের প্রত্যেকটি উপাদান যেন প্রয়োজনীয় পরিমাণে থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। বছরের অন্যান্য সময়ে হয়ত আমরা এভাবে সুষম খাবার খাওয়ার কথা ভাবি না, কিন্তু&nbsp; অন্যান্য সময় ত বটেই, রোযার মাসে এ দিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। আমিষ, শর্করা ও চর্বি জাতীয় খাবারের কোনটিই যেমন খাদ্যতালিকায় বাদ পড়া উচিত নয়, তেমনি কোনটি পরিমানে বেশী খাওয়া ঠিক নয়। শর্করা জাতীয় খাবার বেশী খাওয়ার ফলে pancreas থেকে ইনসুলিন এর নিঃসরণ বেড়ে যায়। এই অতিরিক্ত ইনসুলিন গ্লুকোজ কে রক্ত থেকে দ্রুত দেহকোষে প্রবেশ করিয়ে দেয়। অর্থাৎ অতিরিক্ত ইনসুলিন এর কারনে রক্তে গ্লুকোজ বেশীক্ষণ থাকতে পারে না। অতিরিক্ত ইনসুলিন নিঃসরণের কারণে দেহের স্থুলতা বেড়ে যায়। আবার,আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসের কারণে দৈনিক যে নির্দিষ্ট পরিমাণ আমিষ-হজমকারী এঞ্জাইম আমাদের পাকস্থলি থেকে নিসৃ্ত হয় , তা দিয়ে অতিরিক্ত আমিষ হজম করা সম্ভব নয়। তাছাড়া অতিরিক্ত আমিষ গ্রহনের ফলে শরীরে ঝিমুনি আসে ও রক্তে ইউরিয়ার পরিমান বেড়ে যায়, যা দেহের জন্য একটি ক্ষতিকারক বর্জ্য পদাথ। অনুরূপভাবে অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার দেহকোষ ও রক্তে অনাকাংখিত মেদ তৈরী ছাড়া আর কিছুই করতে পারে না। যাদের পিত্তথলি বা লিভারের সমস্যা আছে তাদের জন্য অতিরিক্ত চর্বি অত্যন্ত ক্ষতিকর !তাই রোযার মাসে সাহরীতে অন্য মাস গুলোর মত স্বভাবিক খাবার খাওয়াই শ্রেয়ঃ। তবে জটিল শর্করা (Complex carbohydrate) জাতীয় খাবার খুব ধীরে হজম হয় বলে এ ধরনের খাবার সাহরীতে খাওয়া ভালো। যেমন- ঢেঁকিছাটা চালের ভাত, লালরুটি, পাউরুটি, বার্লি, সব রকমের আলু, oatmeal, pasta, macaroni, spaggetti ইত্যাদি। এই খাবারগুলো পাকস্থলীতে দীর্ঘক্ষণ স্থিত থাকে ,হজম হয় ধীরে ধীরে। তাই রোযাদারের ক্ষুধাভাব কম অনুভব হয়। এর সাথে পছন্দ অনুযায়ী পরিমিত মাছ/ গোশ্ত ও প্রচুর পরিমানে শাকসব্জি খেতে পারেন।</p><p>&nbsp; একজন রোযাদারের জন্য সবচেয়ে বেশী প্রয়োজন যথেষ্ঠ পানি&nbsp; ( দৈনিক অন্তত ২ লিটার ) ও তাজা ফলের রস পান করা&nbsp; । অনেকেই এ বিষয়টিকে গুরুত্ব দেন না। পানি দেহকে সতেজ রাখে। শরীর নামের কারখানার বিভিন্ন রাসায়নিক কার্যকলাপের মূল উপাদান এই পানি।&nbsp; পানি কম খেলে দেহের বর্জ্য পদাথগুলো বের হয় না, দেখা দেয় নানাবিধ সমস্যা। </p><p>&nbsp; স্বাস্থবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে সাহরীতে খাওয়ার বেলায় আল্লাহ রাসূলের (সাঃ) নিয়ম অনুযায়ী খাওয়াই উত্তম - অর্থাৎ পাকস্থলীর তিন ভাগের একভাগ খাবার ও&nbsp; তিন ভাগের একভাগ পানি দিয়ে পূরণ হবে এবং বাকী&nbsp; এক ভাগ খালি রাখতে হবে&nbsp; শ্বাস নেয়ার জন্য। অনেকেই হয়ত ভাববেন, আমরা তো পাকস্থলী দিয়ে শ্বাস নেই না, তাহলে পাকসথলীর এক-তৃ্তীয়াংশ শ্বাস নিতে সাহায্য করে কেমন করে ? উত্তরটা খুবই সহজ। পাকস্থলীর উপরে আছে &#039;ডায়াফ্রাম&#039; নামের একটি বড় মাংসল পর্দা। আমরা যখন শ্বাস গ্রহণ করি, তখন ডায়াফ্রাম সংকুচিত হয়ে নিচের দিকে নেমে আসে এবং ফুসফুস স্ফীত হয়। খাদ্য দিয়ে পাকস্থলী পুর্ণ&nbsp; থাকলে শ্বাস গ্রহণের সময় নিশ্বাস-প্রশ্বাসের এই মূল পেশী - ডায়াফ্রাম&nbsp; সংকুচিত হয়ে নিচের দিকে নামতে পারেনা, ফুসফুস পর্যাপ্ত স্ফীত হয় না ও পরিমাণমত অক্সিজেন দেহে প্রবেশ করতে পারে না। তাই খাবার গ্রহণের ব্যাপারে রাসূল (সাঃ) এর Golden theory of one third মেনে চলা আবশ্যক।</p><p>সাহরীতে যা খাওয়া উচিত নয়ঃ</p><p>&nbsp; সাহরীতে চা পান না করাই উত্তম। চায়ে থাকে মুত্র-বর্ধক উপাদান। সাহরীতে চা পান করলে এই মুত্র-বর্ধকের প্রভাবে দেহের পানি&nbsp; প্রস্রাবের মাধ্যমে দ্রুত বের হয়ে যায়।</p><p>ইফতারে যা খাওয়া উচিত :</p><p>&nbsp; সারাদিন রোযা থাকার পর পাকস্থলীতে এমন কিছু খাবার দেয়া উচিৎ যা দ্রুত শরীরে শক্তি যোগায় ও বিভিন্ন ঘাটতি পূরণ করে। ইফতার হিসেবে সরল শর্করা উত্তম। কেননা এটি দ্রুত হজম হয় ও শক্তি যোগায়। দেহের&nbsp; শরীরবৃত্তীয় চাহিদা পূরনের জন্য কিছু Essential elements গ্রহণ করা জরুরী। যেমন- মস্তিষ্কের খাদ্য হল গ্লুকোজ । গ্লুকোজের অভাবে মস্তিষ্কের কাজ ব্যাহত হয়। সৃষ্টিকর্তা মস্তিষ্ককে এভাবে তৈরী করেছেন যে, ইন্সুলিনের সাহায্য ছাড়াই গ্লুকোজ মস্তিষ্ক কোষে ঢুকে যায়।</p><p>&nbsp; শরীরের আরেকটি গুরুত্বপূরণ অঙ্গ হল কিডনি, যা পানির অভাবে মারাত্নভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। ১২ ঘন্টায় ৩০০ মিলি র কম প্রস্রাব উৎপন্ন হলে kidney failure এর সম্ভবনা থাকে।</p><p>&nbsp; দেহের স্বাভাবিক কার্যকারিতার জন্য বিভিন্ন খনিজ উপাদান যেমন-&nbsp; &nbsp;সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ইত্যাদি অত্যাবশ্যক।</p><p>&nbsp; ইফতারে এমন সব খাবার খাওয়া উচিত যে খাবারে প্রয়োজনীয় পরিমান পানি, গ্লুকোজ ও খনিজ উপাদান থাকে। তাতে মস্তিষ্ক, কিডনি ও ত্বকের কার্যক্রম ঠিক থাকে।</p><p>&nbsp; আল্লাহর রাসূল (সাঃ) বলেছেন, &#039;&#039; যদি তোমাদের কেউ রোযা রাখে তাহলে সে যেন খেজুর দিয়ে ইফতার করে। যদি সে তা না পায় তাহলে পানি দিয়ে। নিশ্চয়ই পানি হল পরিশোধক ( Purifiyer)।&#039;&#039; [সূত্র-বুখারী ও বায়হাকী] </p><br /><p>&nbsp; এদিক থেকে চিন্তা করলে&nbsp; পানি, শরবত ও ফলের রস ইফতার হিসেবে অতি উত্তম।</p><p>&nbsp; খেজুরে আছে গ্লুকোজ ও নানা ধরনের খনিজ উপাদান। এতে রয়েছে সরল শর্করা যা&nbsp; দ্রুত শোষন হয় এবং মস্তিষ্ক ও দেহে শক্তি জোগায়। উচ্চ রক্তচাপ, রক্তশূন্যতা, কোষ্ঠকাঠিন্য ও বিভিন্ন হৃদরোগ প্রতিরোধে খেজুরের অবদান অপরিসীম। হাড়ের সুস্থতা ও রক্তে কোলেস্টেরল কমানোর ক্ষেত্রেও এর ভূমিকা রয়েছে।&nbsp; </p><p>&nbsp; ফলমূলে আছে প্রচুর গ্লুকোজ , ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। বিশেষতঃ তরমুজ, বাঙ্গী এ জাতীয় পানীয় ফল ইফতারের জন্য খুব ভালো।</p><p>&nbsp; এছাড়াও ছোলা সিদ্ধ ( পছন্দ অনুযায়ী এর সাথে যয়তুনের তেল, শসা , টমেটো ইত্যাদি মিশিয়ে নিতে পারেন ), পায়েশ ,হালুয়া, দই-চিড়া, দুধ-সাগু, পুডিং, যে কোন রকমের মিষ্টি,&nbsp; রকমারী ফলের চার্ট , মুরগীর স্যুপ বা স্যুপ নুডুলস, সবজির স্যূপ ইত্যাদি ইফতার হিসেবে শরীরের জন্য খুবই উপকারী।</p><p>ইফতারে যা খাওয়া উচিত নয়ঃ</p><p>&nbsp; ভাজা-পোড়া ও অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার শরীরের জন্য সবসময়ই ক্ষতিকর। বিশেষ&nbsp; করে শরীরের তাৎক্ষণিক ঘাটতি পূরণ ও শক্তি যোগানের ক্ষেত্রে এদের ভূমিকা নেই বললেই চলে। এসব খাবারের উপরিভাগে তেলের আবরণ (Oily coating) থাকার কারনে এরা পাকস্থলীতে পরিপাক হয় না এবং পাকস্থলী অতিক্রম করতে অনেক সময় নেয়; তারপর অন্ত্রে গিয়ে শোষিত হয়ে রক্তে মিশে। ফলে এ ধরনের খাবার দেহে দ্রুত শক্তি যোগাতে পারে না।</p><p>&nbsp; রোযার সময় দাঁতের যত্নের ব্যাপারে আমরা অনেকেই বেখেয়াল হয়ে যাই। রমজান মাসে সাহরীর পর অবশ্যই টুথপেস্ট ও ব্রাশ দিয়ে দাঁত ও জিহ্বা পরিষ্কার করা উচিৎ। সম্ভব হলে একটু কুসুম গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে কুলি করে নেয়া যেতে পারে। ইফতারের পর আরেকবার ব্রাশ করে নেয়া ভাল। এর মাঝে রোযা রাখা অবস্থায় মেসওয়াক অথবা শুধু ব্রাশ দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করতে পারেন । তাতে মুখে দূর্গন্ধ কম হবে এবং দাঁত ও মাড়ির রোগ থেকে রেহাই পাওয়া যাবে।</p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[salamsony]]></name>
				<uri>http://www.idbangla.com/forums/profile.php?id=535</uri>
			</author>
			<updated>2010-09-01T11:57:19Z</updated>
			<id>http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2327&amp;action=new</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[হেল্প মি !]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2329&amp;action=new"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<p>গুগলে সার্চ দিয়ে ছিলাম, প্রায় একি সময়ে (হিজরী ৪র্থ সনের সফর মাসে) সংঘটিত বীরে মাউনা ও আর-রাজীর ঘটনাটি কি এক নাকি ভিন্ন, এই উদ্দেশ্য নিয়ে। আপসোস প্রথমেই কিছু সাইট আসল ইসলামকে নন সায়েন্টিফিক প্রমাণ করার কিছু এক্স মুস্লিম(?) দের সাইট।<br />যেই উদ্দেশ্য নিয়ে সার্চ দিয়েছি তা উদ্ধার হয়নি যদিও (হলে পরের পোসটে জানিয়ে দেব ইনশাল্লাহ) অন্য প্যাঁচে পরে গেসি আরেক সাইট এ ঢুকে।পেইজের শুরুটা এরকমঃ<br />ইসালামিক সিটি ফোরাম।ইস্লাম ফর নন মুস্লিম।ইসলামিক ডিসকাশন ফোরাম।যাতে লেখা আছে-ওমর(রঃ) বলেছেন,&quot;তোমাদের মধ্যে কাউকে বলতে দিওনা যে, সে সমগ্র ক্বুরআন আত্মস্থ করে রেখেছে।কারণ কি করে সে জানে যে এটাই সব?ক্বুরআনের অনেক খানি অংশই হারিয়ে গেছে।বরং তাকে বলতে দাও,আমি আত্মস্থ করেছি ক্বুরানের যতখানি আমার কাছে এভেইলেবল ছিল&quot; এ কথার রেফারেন্স হিসেবে দেখানো হয়েছে<br />(Suyuti: Itqan, part 3, page 72).</p><p>এ ধরণের আরো কিছু কথা আছে পড়ে দেখুনঃ<br />A’isha (also page 72) adds to the story of ibn Umar and says,<br />&quot;During the time of the prophet, the chapter of the Parties used to be two hundred verses when read. When Uthman edited the copies of the Qur’an, only the current (verses) were recorded&quot; (73 verses)<br />The same statement is made by Ubay ibn Ka’b, one of the great companions. On page 72, part 3, the Suyuti says,<br />&quot;This famous companion asked one of the Muslims, ‘How many verses in the chapter of the Parties?’ He said, ‘Seventy-two or seventy-three verses.’ He (Ubay) told him, ‘It used to be almost equal to the chapter of the Cow (about 286 verses) and included the verse of the stoning.’ The man asked, ‘What is the verse of the stoning?’ He said, ‘If an old man or woman committed adultery, stone them to death.&quot;’</p><p>The Zamakh-shari also cited it in his book, &quot;al-Kash-Shaf’ (part 3, page 518).<br />These are unquestionable statements made by the pillars of the Islamic religion who transmitted Muhammad’s sayings and biography, &quot;The Tradition&quot;, and who interpreted the Qur’an— among them Ibn ’Umar, A’isha, Ubay Ibn Ka’b and ’Ali Ibn Abi Talib. Ibn ’Umar states that a large part of the Qur’an was missed. A’isha and Ubay Ibn Ka’b assert that dozens of verses from the &quot;Chapter of the Parties&quot; have been lost. ’Ali confirms that, too.</p><p>আপনারা পেইজের লিঙ্কে গিয়ে রেফারেন্স গুলো সঠিক কিনা দেখবেন।লিঙ্কঃ<br /><a href="http://www.islamicity.com/forum/forum_posts.asp?TID=1677&amp;PN=4">http://www.islamicity.com/forum/forum_p &#133; 7&amp;PN=4</a></p><p>আরেকটি তথ্য বহুল পেজ দেখলাম,ধাপ্পাবাজী ভাবতে ইচ্ছা হলনা,তবুও যাচাই করে দেখা প্রয়োজন।শুরুটা এরকমঃ<br />Another Open Challenge to Muslims</p><p>Excursus –</p><p>The Quran&#039;s missing Verses and Surahs in light of of Abrogation</p><p>Sam Shamoun</p><p>এখানে এক জায়গায় যা বলা হয়েছে তা হলঃ বীরে মাউনার ঘটনায় যে ধোকাবাজ গোত্র উসাইয়্যা ও বনু লিহইয়ান এর ট্র্যাপে পড়ে ৭০ জন আনসারী সাহাবী শাহাদত বরণকারী হলেন তাদের খব হযরত(সঃ) আগেই পেয়েছিলেন ।তিনি ৩০ দিন এ গোত্রের জন্য ফযরের নামাযের পরে আল কুনুত পড়তেন তাদের বদদুয়া করার উদ্দেশ্যে।তখন সাহাবারাও ক্বুরআনের একটি আয়াত পড়তেন যা নাযিল হয়েছিল বীরে মাউনার ঘটনার প্রেক্ষিতে। যা নাকি পরে বাদ হয়ে যায়।আয়াতটি ছিলঃ&quot;&quot;convey to our people on our behalf the information that we have met our Lord, and He is pleased with us, and has made us pleased.&quot;&nbsp; ঘটনার বর্ণনাকারী আনাস ইবন মালিক।<br />এভাবে করে আরো বহু উদাহরণ দিয়ে দেখানো হয়েছে ক্বুরআন সংকলনের সময় একাধিকবার উল্লাখ আছে এমন বহু আয়াত বাদ হয়ে গেছে।লেখা আছেঃ<br />According to Islamic scholarship there are three types of abrogation, something never once stated or even alluded to in the Quran:</p><p>1) Abrogation of recitation.<br />2) Abrogation of ruling.<br />3) Abrogation of both ruling and recitation.</p><p>In light of this the Muslim propagandists would contend that the passages which we referred to fall under the first and third categories, which explains why they are not part of the Quran any longer.</p><p>Unfortunately for these dawagandists this explanation doesn’t solve the dilemma but actually raises additional problems for them to address.</p><p>First, Muslims are undecided as to how many verses have actually been abrogated or replaced:</p><p>&nbsp; &nbsp; The Abrogated Verses</p><p>&nbsp; &nbsp; There are, according to Ibn Salama, [Op cit., see pp.6-8 for the names of these suras.] a well-known author on the subject:</p><p>&nbsp; &nbsp; 43 suras with neither nasikh or mansukh.</p><p>&nbsp; &nbsp; 6 suras with nasikh but no mansukh.</p><p>&nbsp; &nbsp; 40 suras with mansukh but no nasikh.</p><p>&nbsp; &nbsp; 25 suras with both nasikh and mansukh.</p><p>&nbsp; &nbsp; According to Suyuti&#039;s Itqan there are 21 instances in the Qur&#039;an, where a revelation has been abrogated by another.</p><p>&nbsp; &nbsp; He also indicates that there is a difference of opinion about some of these: e.g. 4: 8, 24: 58, etc. [Itqan, II, pp.20-3; Kamal, op.cit., pp.101-9 also gives Suyuti&#039;s complete list.]</p><p>&nbsp; &nbsp; Some scholars have attempted to reduce the number of abrogations in the Qur&#039;an even further, by explaining the relationships between the verses in some special ways, e.g. by pointing out that no legal abrogation is involved, or that for certain reasons the naskh is not genuine</p><p>&nbsp; &nbsp; Shah Waliullah (d. 1759) the great Muslim scholar from India only retained the following 5 out of Suyuti&#039;s 21 cases as genuine:</p><p>&nbsp; &nbsp; Mansukh 2:180<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; </p><p>&nbsp; &nbsp; nasikh 4:11, 12</p><p>&nbsp; &nbsp; Mansukh 2:240<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; </p><p>&nbsp; &nbsp; nasikh 2:234.</p><p>&nbsp; &nbsp; Mansukh 8:65<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; </p><p>&nbsp; &nbsp; nasikh 8:62.</p><p>&nbsp; &nbsp; Mansukh 30:50<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; </p><p>&nbsp; &nbsp; nasikh 33:52.</p><p>&nbsp; &nbsp; Mansukh 58:12<br />&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; </p><p>&nbsp; &nbsp; nasikh 58:13.</p><p>&nbsp; &nbsp;বিস্তারিত পড়ে আমকে প্রতুত্যর জানানোর জন্য লিঙ্কঃ<br /><a href="http://www.answering-islam.org/authors/shamoun/anonymousquran_excursus.html">http://www.answering-islam.org/authors/ &#133; ursus.html</a></p><br /><p>হয়ত আমি এ বিষয়গুলো নিয়ে বেশি ভাবছি,কারণ আল ক্বুরআনের আয়াত সংখ্যা ৬৬৬৬ কিনা এনিয়েই মতভেদ আছে।যোগ দিয়ে পাওয়া যায় ৬২৩৬। তবু ক্বুরআনকে চিরদিন অবিকৃত জেনেছি।এখন নতুন প্রশ্ন দাঁড়াতে লাগল।আয়াত মাইনাস করা কি বিকৃত করার সমতুল,যদি না এসব তথ্য সত্য হয়।সত্য নাও হতে পারে।</p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[চিন্ময়]]></name>
				<uri>http://www.idbangla.com/forums/profile.php?id=99</uri>
			</author>
			<updated>2010-08-31T08:38:23Z</updated>
			<id>http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2329&amp;action=new</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[দুর্লভ ছবিঃ]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2321&amp;action=new"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<p><strong>দুর্লভ ছবিঃ সকল আন্দোলন সংগ্রামে জামায়াত ও আওয়ামী লীগ একাত্ম হয়েও জামায়াত আজ দেশ বিরোধী</strong> </p><p>স্বাধীনতার আগ পর্যন্ত সকল আন্দোলন সংগ্রামে জামায়াত ও আওয়ামী লীগের দাবী এক হয়েও জামায়াত আজ দেশ বিরোধী। অথচ ষাট হতে সত্তরের দশকের প্রায় প্রতিটি আন্দোলনে জামায়াত আওয়ামী লীগের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আন্দোলন করেছে। ১৯৭০ সালে নির্বাচনে অবিসংবাদী জয়ের পর যখন পাকিস্থানী শাসক গোষ্ঠি যখন টালবাহানায় লিপ্ত ছিল, তখন বারংবার জামায়াতের পক্ষ থেকে বিজয়ী শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব অর্পনের জোর দাবী জানানো হয়েছে। কেননা সকলেই জানতেন এর অন্যথা হলে দেশ অবশ্যম্ভাবী বিভক্তির দিকে এগিয়ে যাবে, যা আওয়ামী লীগ নিজেও চাইত না।</p><p>১৯৭০ সালের নির্বাচনে পুর্ব পাকিস্তানের ১৬৯ টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি আসনে বিজয়ী দল আওয়ামী লীগের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে না দেয়ায় পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। এমন এক অবস্থায় ১৯৭১ সালে ৭মার্চ রেসকোর্স ময়দানে লক্ষ লক্ষ জনতার মাঝে শেখ মুজিব এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। ওই ভাষণে তিনি ঘোষণা করেন-<br />&#039;এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম।&#039;<br />ওই ভাষণে শেখ মুজিব যে চারটি দাবী জানান সেগুলো হলো-</p><p>১.সামরিক আইন মার্শাল &#039;ল&#039; তুলে নিতে হবে।<br />৩.সমস্ত সেনাবাহিনীর লোকদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নিতে হবে।<br />৩. যেভাবে হত্যা করা হয়েছে তার তদন্ত করতে হবে।<br />৪.আর জন প্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।</p><p>কেউ কেউ দাবি করেন মার্চের ভাষণে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু কথা হল, তিনি যদি সেদিন স্বাধীনতার ঘোষণাই দেবেন তাহলে পাকিস্তানী সরকারের উদ্দেশ্যে দাবী-দাওয়া পেশ করলেন কেন? এমনকি ভাষনের শেষে তিনি &#039;পাকিস্থান জিন্দাবাদ&#039; বলে ভাষন সমাপ্ত করেন।এসব দাবী পর্যালোচনা করেই অনেকে বলে থাকেন যে, শেখ মুজিব ৭ মার্চের ভাষণে স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি। কারণ ১৩ মার্চের পর প্রেসিডেন্ট ইয়াহইয়ার সাথে ঢাকা বৈঠকে সমঝোতা যদি সফল হত, শেখ মুজিবুর রহমানই হতেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। তাহলে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার আদৌ কোন সম্ভাবনা ছিল না। শেখ মুজিব স্বাধীনতার চিন্তা করেননি, তা ২৪শে মার্চে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের নির্বাহী কমিটির সভায় প্রদত্ত বক্তব্য থেকে প্রমাণ মেলে। সেদিন তিনি দ্ব্যর্থহীন কন্ঠে সবাইকে জানিয়ে দিয়েছিলেন,<br />&quot;আমার ম্যান্ডেট স্বায়ত্ত্বশাসনের জন্য, স্বাধীনতার জন্য নয়।&quot;(সাংবাদিক আশরাফের প্রতি কৃতজ্ঞতা)</p><p>২৫ মার্চের আগ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর প্রচেষ্টা ছিল দেশের অখন্ডতার পক্ষে। এ কারনে বিভিন্ন সময়ে হুমকি ধামকি দিয়ে চেষ্টা করেছেন পাকিস্থানী ম্বেরাচার শাসকদের কাছ থেকে অধিকার টুকু আদায় করতে। এমনকি ২৫ মার্চ রাতেরও গ্রেফতারের আগ মুহূর্তে তিনি দেশকে বিভক্ত করার পক্ষে ছিলেন না।<br />&#039;&#039;একাত্তরের ২৫ মার্চ রাতে গ্রেফতারের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত স্বাধীনতার কোনো ঘোষণা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেননি। তাজউদ্দীন আহমদ ওই রাতেই স্বাধীনতার ঘোষণার ছোট্ট একটি খসড়া তৈরি করে টেপরেকর্ডারে ধারণ করার জন্য বঙ্গবন্ধুকে পড়তে দেন। বঙ্গবন্ধু খসড়াটি পড়ে নিরুত্তর থাকেন এবং এড়িয়ে যান। তাজউদ্দীন আহমদ ঘোষণাটি দিতে অনুরোধ জানালে বঙ্গবন্ধু উত্তর দেন,<br />&#039;&#039;এটা আমার বিরুদ্ধে একটি দলিল হয়ে থাকবে। এর জন্য পাকিস্তানিরা আমাকে দেশদ্রোহের জন্য বিচার করতে পারবে।&#039;&#039;<br />ইপিআর সিগন্যালসের মাধ্যমে শেখ সাহেব স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠিয়েছিলেন সেটাও বোধহয় অবাস্তব কথা। চট্টগ্রামের জহুর আহমদ চৌধুরীর কাছে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠিয়েছিলেন বলে যে কথা বলা হয়, তাও সঠিক নয়। ভারত সরকার বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়ার সময় প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও অন্য প্রধান নেতাদের জিজ্ঞাসা করেছে যে, স্বাধীনতার ঘোষণার ব্যাপারে শেখ মুজিবুর রহমান কাউকে কিছু বলে গেছেন কিনা। এর মধ্যে জহুর আহমদ চৌধুরীও ছিলেন। ভারত সরকারকে প্রত্যেকেই বলেছেন, কাউকেই বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণার কথা বলে যাননি। জহুর আহমদ চৌধুরী নিজে তাজউদ্দীনকে বলেছেন, স্বাধীনতার ঘোষণার ব্যাপারে তাকে কিছুই বলা হয়নি।&#039;&#039; (আমার দেশ এবং প্রিয় ডটকম <a href="http://priyo.com/forum/2010/mar/25/37599.html)">http://priyo.com/forum/2010/mar/25/37599.html)</a></p><p>কিন্তু এত সবের পরেও আজ সত্য হচ্ছে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষক, আওয়ামী লীগ স্বাধীসতার সোল এজেন্ট আর দীর্ঘ আন্দোলনে পাশে থেকেও জামায়াত স্বাধীনতা বিরোধী। ভাষা আন্দোলনের ইশতেহার পাঠকারী অধ্যাপক গোলাম আযম দেশদ্রোহী। ছবি নাকি ইতিহাসের কথা বলে। বহু বচর আগে ছাপা হওয়া একটি বইয়ের দুর্লভ কিছু ফটো পেয়ে গেলাম। রীতিমতো চমকে দেবার মতো। দেখা যাক ইতিহাস কি বলে।</p> <br /><br /><p>১---পূর্ব পাকিস্থানের অধিকার আদায়ে দাবী দাওয়া তৈরীতে প্রায়শই একত্রিত হয়েছেন তৎকালীন জাতীয় নেতারা। এমনি একটি সভায় ডান থেকে অধ্যাপক গোলাম আযম, পীর মোহসেন উদ্দীন দুদু মিয়া (ইংরেজ বিরোধী বিপ্লবী হাজী শরীয়াতউল্লাহর ছেলে), মোহাম্মদ আলী, খন্দকার মোশতাক আহমেদ (আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় নেতা ও পরবর্তীতে অস্থায়ী সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী)।</p> <br /><br /><p>২----পূর্ব পাকিস্থানের অধিকার আদায়ে আয়োজিত সভা সমাবেশে উপস্থিত থেকেছেন অধ্যাপক গোলাম আযম। এমনি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাউন্ড টেবিল কনফারেন্সে বাম হতে ২য় অবস্থানে তাকে দেখা যাচ্ছে।</p> <br /><br /><p>৩-----প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান (সর্ববামে) বিভিন্ন দাবী দাওয়ার প্রেক্ষিতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্থানের জাতীয় নেতৃবৃন্দের সাথে মিলিত হন। ডান থেকে অধ্যাপক গোলাম আযম, পীর মোহসেন উদ্দীন দুদু মিয়া (ইংরেজ বিরোধী বিপ্লবী হাজী শরীয়াতউল্লাহর ছেলে), মোহাম্মদ আলী, খন্দকার মোশতাক আহমেদ (আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় নেতা ও পরবর্তীতে অস্থায়ী সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী), মাওলানা মুফতি মাহমুদ, চৌধুরী মোঃ আলী (পাকিস্থানের প্রধানমন্ত্রী)</p> <br /><br /><p>৪---আইয়ুববিরোধী আন্দোলনে সকল দলকে নিয়ে সম্মিলিত আন্দোলনে তৎকালীন জামায়াতের আমীর অধাপক গোলাম আযমের ভূমিকাও ছিল অগ্রগণ্য। প্রায় প্রতিটি জোট বদ্ধ আন্দোলনে তিনি ছিলেন অগ্রগামী, আওয়ামী লীগ এটি ভালোভাবেই বুঝত। শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে আন্তরিক পরিবেশে সভা করছেন অধ্যাপক গোলাম আযম (ডান থেকে ৩য়)</p> <br /><br /><p>৫---স্বৈরাচারী প্রেসিডেন্ট আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের এক পর্যায়ে সকল বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত হয় ডাক জোট। কিন্তু দুঃখজনক ভাবে আওয়ামী লীগ এতে সবার উপরে ছড়ি ঘোরানোর সম্ভাবনা না থাকায় যোগ দেয়নি। পরে অন্যতম পুরোধা ছিলেন অধ্যাপক গোলাম আযম। সর্বদলীয় সভায় অন্যতম মধ্যমনি হিসাবে দেখা যাচ্ছে তাকে।</p> <br /><br /><p>৬---জাতীয় নির্বাচনের দাবীতে সকল বিরোধী দল ছিল একাট্টা। প্রতিটি দলের দাবী ছিল এক এবং সম্মুখে থেকে জামায়াতে পক্ষে ভূমিকা রেখেছেন তৎকালীন আমীর অধ্যাপক গোলাম আযম। সর্বদলীয় সভায় আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে।</p> <br /><br /><p>৭-- দুর্লভ পেপার কাটিং। এর পরেও কি বলা হবে জামায়াত আগা গোড়া দেশদ্রোহীতায় লিপ্ত ছিল? ডান পাশের বিবৃতি প্রকাশ হয় দৈনিক আজাদের ১০ মার্চ ১৯৭১ সংখ্যায় ডাতে শেখ মুজিবকে ৭ মার্চের ভাষনের জন্য জামায়াত অভিনন্দন জানিয়েছিল এবং অবিলম্বে বিজয়ী আওয়ামী লীগের হাতে ক্ষমতা হস্তাস্তরের জোর দাবী জানিয়েছিলেন তৎকালীন জামায়াত নেতারা। ডান পাশের বিবৃতিটি প্রকাশিত হয় ১৭ মার্চ ১৯৭১। দেশকে চুড়ান্ত বিভক্তি থেকে রক্ষার জন্য শেখ মুজির-ইয়াহইয়ার বৈঠকের সফলতা কামনা করে প্রেসিডেন্ট ইয়াহইয়াকে দ্রুত শেখ মুজিবের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবী জানান অধ্যাপক গোলাম আযম। বোধগম্য করবার জন্য পুরাতন কাটিং এর ভেতরের কথাই এর সত্যতার জন্য যথেষ্ট।</p><br /> <br /><p>৮---শেখ মুজিবর রহমানের সাথে জাতীয় নেতৃবৃন্দের অন্তরঙ্গ আলাপচারিতার এবটি বিশেষ মুহূর্তে অধ্যাপক গোলাম আযমকে দেখা যাচ্ছে। দেশের স্বাধীনতার আড়াগোড়া বিপক্ষে তথাকথিতঅবস্থানকারীর সাথে স্বাধীনতার স্থপতির আন্তরিকতার এ ছবিটি সত্য নাকি স্বাধীনতার পর হতে বাকী অপপ্রচার সত্য?</p> <br /><br /><p>৯----প্রতিটি দাবী দাওয়ার সাথে জামায়াত আঞ্চলিক ও কেন্দ্রীয় ভাবে একাত্মতা ঘোষনা করেছে। শুধু অধ্যাপক গোলাম আযম নয় বরং তৎকালীন জামায়াতের সর্বোচ্চ নেতা মাওলানা মওদূদীও ছিলেন স্বৈরাচার বিরোধী ন্যায় সঙ্গত অধিকার আদায়ের আন্দোলনে শেখ মুজিবুর রহমানের সহযোগী।</p><p>স্বাধীনতার স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন আগাগোড়া সব কিছুর সাক্ষী। বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের পর হতে ১৫ আগস্ট মুত্যুর আগ পর্যন্ত অধ্যাপক গোলাম আযমের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কোন কথা বলেননি। চ্যালেঞ্জ রইল যদি কেউ প্রমাণ দেখাতে পারেন, আমার এই মন্তব্য ডিলিট করে দেব।<br />(দুঃখিত, এ মূহুর্তে ছবিগুলো আপলোড করা যাচ্ছে না, পরে চেষ্টা করা হবে ইনশাল্লাহ)<br />সূত্রঃ awamibrutalityda.blogspot.com</p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[আবূসামীহা]]></name>
				<uri>http://www.idbangla.com/forums/profile.php?id=332</uri>
			</author>
			<updated>2010-08-29T19:45:38Z</updated>
			<id>http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2321&amp;action=new</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[নেপালের মিনার মিরাকল : মুসলমানদেরকে ধোঁকায় ফেলার আরেকটি স্টেপ]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2328&amp;action=new"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<p>একটি ইউটিউব ভিডিও নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় চলছে। ভিডিওটি নেপালের একটি মসজিদের মিনারকে কেন্দ্র করে। তাতে দেখা যায় যে, মসজিদের মিনারটি এমনিতেই বাতাসে ভেসে আকাশে উঠে জায়গা মতো বসে যাচ্ছে। আর তা লা-ইলাহা-ইল্লাল্লাহ জিকিরের সাথে দেখছে শত শত মুসলিম।</p><p>ভিডিওটা যা-ই হোক না কেন, তার চেয়েও আকর্ষণীয় হলো এর সাথে সংশ্লিষ্ট বক্তব্য। বলা হচ্ছে, মসজিদটির মিনার নির্মাণের পর তা উঠাতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ব্যাহত হলে প্রশাসনের সাহায্য চাওয়া হয়। প্রশাসন সাফ বলে দেয়, আমরা পারব না, তোমাদের আল্লাহকে বলো। এরপর এক টুকরো মেঘ ঘিরে নেয় মিনারটিকে, আর মিনারটি আপনা আপনি উঠে যায় আকাশে, বসে যায় জায়গা মতো।</p><p>আরো একটি ঘটনা পেলাম। তা হলো, মসজিদের ইমাম সাহেব স্বপ্নে দেখেন, তাকে বলা হচ্ছে যেন তিনি একটি সাদা কাপড় দিয়ে মিনারটি ঢেকে দেন। তিনি তা করেন। পরে মিনারটি আপনা আপনি উঠে যায় আকাশে। যা শত শত মানুষ খালি চোখে প্রত্যক্ষ করে।</p><p>ভিডিওটির বিষয়ে বলার আগে কয়েকটি ভূমিকা দেয়া প্রয়োজন মনে করছি।</p><p><strong>এক.</strong></p><p>আমাদের মুসলমানদের ইসলামের সত্যতার জন্য এসব মিরাকল বা অলৌকিক বিষয় কেন প্রয়োজন? আল্লাহ তা’আলা বড় বড় মিরাকল আমাদের সামনে রেখে দিয়েছেন, আমরা কেন এসব ছোট ছোট মিরাকলের পেছনে পড়ি?</p><p>আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় মিরাকল আমাদের শরীর, এর কার্যপ্রণালী।</p><p>আল্লাহ তা’আলা বলেন,</p><p>وَفِي أَنفُسِكُمْ أَفَلَا تُبْصِرُونَ ﴿الذاريات: ٢١﴾</p><p>এবং (নিদর্শন রয়েছে) তোমাদের নিজেদের মধ্যেও, তোমরা কি অনুধাবন করবে না? (৫১:২১)</p><p>এরপর রয়েছে পাহাড়-পর্বত, আকাশ-বাতাস ও প্রকৃতির সব কিছুই। আল্লাহ তাআলা বলেন,</p><p>أَفَلَا يَنظُرُونَ إِلَى الْإِبِلِ كَيْفَ خُلِقَتْ – وَإِلَى السَّمَاءِ كَيْفَ رُفِعَتْ – وَإِلَى الْجِبَالِ كَيْفَ نُصِبَتْ – وَإِلَى الْأَرْضِ كَيْفَ سُطِحَتْ – فَذَكِّرْ إِنَّمَا أَنتَ مُذَكِّرٌ</p><p>তারা কি উষ্ট্রের প্রতি লক্ষ্য করে না যে, তা কিভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে? এবং আকাশের প্রতি লক্ষ্য করে না যে, তা কিভাবে উচ্চ করা হয়েছে? এবং পাহাড়ের দিকে যে, তা কিভাবে স্থাপন করা হয়েছে? এবং পৃথিবীর দিকে যে, তা কিভাবে সমতল বিছানো হয়েছে? অতএব, আপনি উপদেশ দিন, আপনি তো কেবল একজন উপদেশদাতা। (৮৮:১৭-২১)</p><p>জমাট রক্ত থেকে মানুষের সৃষ্টিও অনেক বড় মিরাকল।</p><p>خَلَقَ الْإِنسَانَ مِنْ عَلَقٍ ﴿العلق: ٢﴾</p><p>তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন জমাট রক্ত থেকে। (৯৬:২)</p><p>আর আল-কুরআনের চেয়ে বড় মিরাকল আর কী?</p><p>أَمْ يَقُولُونَ افْتَرَاهُ قُلْ فَأْتُوا بِسُورَةٍ مِّثْلِهِ وَادْعُوا مَنِ اسْتَطَعْتُم مِّن دُونِ اللَّهِ إِن كُنتُمْ صَادِقِينَ ﴿يونس: ٣٨﴾</p><p>মানুষ কি বলে যে, এটি বানিয়ে এনেছ? বলে দাও, তোমরা নিয়ে এসো একটিই সূরা, আর ডেকে নাও, যাদেরকে নিতে সক্ষম হও আল্লাহ ব্যতীত, যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাক।</p><p>وَإِن كُنتُمْ فِي رَيْبٍ مِّمَّا نَزَّلْنَا عَلَىٰ عَبْدِنَا فَأْتُوا بِسُورَةٍ مِّن مِّثْلِهِ وَادْعُوا شُهَدَاءَكُم مِّن دُونِ اللَّهِ إِن كُنتُمْ صَادِقِينَ ﴿البقرة: ٢٣﴾</p><p>এতদসম্পর্কে যদি তোমাদের কোন সন্দেহ থাকে যা আমি আমার বান্দার প্রতি অবতীর্ণ করেছি, তাহলে এর মত একটি সূরা রচনা করে নিয়ে এস। তোমাদের সেসব সাহায্যকারীদেরকে সঙ্গে নাও-এক আল্লাহকে ছাড়া, যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো।</p><p><strong>দুই.</strong></p><p>আল্লাহ তা’আলা নি:সন্দেহে সবকিছু করতে পারেন, সর্ব বিষয়ে শক্তিশালী। তিনি বলেন,</p><p>لِلَّهِ مُلْكُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا فِيهِنَّ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ ﴿المائدة: ١٢٠﴾</p><p>নভোমন্ডল, ভূমন্ডল এবং এতদুভয়ে অবস্থিত সবকিছুর আধিপত্য আল্লাহরই। তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। (৫:১২০)</p><p>তিনি যখন যা চান তা করতে পারেন।</p><p>إِنَّمَا أَمْرُهُ إِذَا أَرَادَ شَيْئًا أَن يَقُولَ لَهُ كُن فَيَكُونُ ﴿يس: ٨٢﴾</p><p>তিনি যখন কোন কিছু করতে ইচ্ছা করেন, তখন তাকে কেবল বলে দেন, ‘হও’ তখনই তা হয়ে যায়। (৩৬:৮২)</p><p>إِنَّمَا قَوْلُنَا لِشَيْءٍ إِذَا أَرَدْنَاهُ أَن نَّقُولَ لَهُ كُن فَيَكُونُ ﴿النحل: ٤٠﴾</p><p>আমি যখন কোন কিছু করার ইচ্ছা করি; তখন তাকে কেবল এতটুকুই বলি যে, হয়ে যাও,। সুতরাং তা হয়ে যায়। (১৬:৪০)</p><p>তদুপরি তিনি সবকিছুই পৃথিবীর ব্যবস্থাপনা ঠিক রেখেই করেন। ব্যবস্থাপনার বাইরে কোনো কিছু তিনি করেন না।</p><p>কাফেররা প্রশ্ন তুলত যে, পৃথিবীতে ফেরেশতাকে কেন রাসূল হিসেবে পাঠানো হলো না। কেন আমাদের মতোই মানুষকে রাসূল হিসেবে পাঠানো হলো।</p><p>আল্লাহ এর জবাবে বলেন,</p><p>قُل لَّوْ كَانَ فِي الْأَرْضِ مَلَائِكَةٌ يَمْشُونَ مُطْمَئِنِّينَ لَنَزَّلْنَا عَلَيْهِم مِّنَ السَّمَاءِ مَلَكًا رَّسُولًا ﴿الإسراء: ٩٥﴾</p><p>বলুনঃ যদি পৃথিবীতে ফেরেশতারা স্বচ্ছন্দে বিচরণ করত, তবে আমি আকাশ থেকে ফেরেশতাকেই তাদের নিকট রাসূল করে প্রেরণ করতাম। (১৭:৯৫)<br /><strong><br />তিন.</strong></p><p>বিধর্মীরা সব সময়ই মুসলমানদেরকে ধোঁকায় ফেলতে সচেষ্ট থাকে। তারা মুসলমানেদর আবেগ নিয়ে খেলার জন্য বিভিন্ন গল্প সাজিয়ে তাতে বিভিন্ন রং মেখে তাকে আকর্ষণীয় করে তোলে। পরে যখন মুসলমানরা সেটা নিয়ে অতি উৎসাহী হয়ে উঠে, তখন তারাই আবার সেটাকে মিথ্যা প্রমাণ করতে মরিয়ে হয়ে উঠে। মুসলমানদেরকে নিয়ে তারা হাসাহাসি করে।</p><p>কাজেই তাদের ফাঁদে পা দেয়ার আগে খুব সতর্কভাবে পা ফেলতে হবে।</p><p><strong>এবার আসা যাক ভিডিওটির প্রসঙ্গে।<br /></strong><br />ভিডিওটির মিথ্যা হওয়ার জন্য অনেকগুলো সহজ যুক্তি রয়েছে। কঠিন যুক্তিগুলোর কথা না-ই বললাম।</p><p>১. ভিডিওটি হাজারো ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে। অথচ কোথাও কোনো সূত্র উল্লেখ করা হয় নি।</p><p>২. কোথাও কোথাও সূত্র হিসেবে এই লিংকটি দেয়া হচ্ছে। Click This Link অথচ এর সাথে ঘটনার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।</p><p>৩. কোনো লোকাল বা ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া ঘটনাটিকে কভারেজ দেয়নি, বা নিদেনপক্ষে কোনো নিউজও করেনি। অথচ জিও নিউজ সহ অনেকে চ্যানেলই এ রকম ঘটনা পেলে তা সত্যি হলে লুফে নেয়।</p><p>৪. কোনো পত্রিকা এটা নিয়ে একটি লাইনও লিখে নি।</p><p>৫. এই ঘটনার একটি মাত্র ভিডিও ইন্টারনেটে পাওয়া যায়। যা হাজারো সাইটে প্রকাশিত হয়েছে। এটা কোনো ছোট ঘটনা নয়। শত শত মানুষ সেখানে উপস্থিত ছিল। তারা ঘটনাটিকে অন্য সব সাধারণ ঘটনা মনে করেছেন বলেই এর ভিডিও করেন নি, বা তা ছড়ানোর প্রয়াস নেন নি।</p><p>৬. এই ভিডিওতে দেখা যায় যে, মিনারটি একটা নির্দিষ্ট স্কেলে আকাশে উঠছে, আবার নির্দিষ্ট সমান্তরালেই তা জায়গামতো গিয়ে বসছে, কাজেই বুঝাই যায় যে, এখানে ক্রেন, রশি সবকিছুই ছিল। আকাশের শুভ্র আলোয় কিংবা সামান্য এডিটিং বা ভিডিওটির বাজে কোয়ালিটির জন্য রশি দেখা যাচ্ছে না।</p><p>(যারা সার্কাস দেখেছেন, তাদের কাছে এরকম ব্যাপার সরাসরি দেখারও অভিজ্ঞতা থাকবে। যেখানে এমন রশি ব্যবহার করা হয়, যা সামনে দাঁড়িয়েও মানব চক্ষু তা অবলোকন করতে পারে না।)</p><p>৭. ভিডিওটির শেষ দিকে দেখা যায় মিনারটিকে জায়গা মতো রাখার পর লোকজন চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাতে বোঝা যায় যে, তারা শুধু ঘটনাটিকে অবলোকন করার জন্যই দাঁড়িয়ে ছিলেন, কাজ শেষ হওয়ার পর অতিরিক্ত আবেগ তাদেরকে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকতে উদ্বুদ্ধ করে নি।</p><p>আমাদের দেশেও যদি কোনো মসজিদে এভাবে ক্রেন দিয়ে মিনার ওঠানো হয়, তাহলেও কমপক্ষে কয়েক শ মানুষ সেখানে তা দেখার জন্য জড়ো হবে। উৎসুক জনতার উৎসাহ সবকিছুকে ঘিরেই। তা মিরাকল হোক, আর না-ই হোক।</p><p>সারকথা, একজন মুসলমান হিসেবে আমাদের ঈমান এসব ছোটখাটো মিরাকলের মুখাপেক্ষী নয়। আমাদের শরীর, আমাদের ভেতরের সৃষ্টি, প্রকৃতির সৃষ্টি, মায়ের পেটে শিশুর বেড়ে ওঠা –এসবই নি:সন্দেহে আরো অনেক বড় মিরাকল।</p><p>কাজেই এসব প্রতারণার ফাঁদে পা না ফেলে সতর্ক দৃষ্টি রাখা উচিৎ আমাদের। আল্লাহ আমাদের তাওফীক দিন। আমীন।</p><p>ও হ্যাঁ, ভিডিওটির লিংকই তো দেয়া হলো না। আচ্ছা, দিচ্ছি।</p><p><object width="425" height="350"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/6dXm-xPYOsE"></param><param name="wmode" value="transparent"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/6dXm-xPYOsE" type="application/x-shockwave-flash" wmode="transparent" width="425" height="350"></embed></object></p><p>-----------<br />পূর্বে প্রকাশিত : <a href="http://yousufsultan.com/posts/nepal-minar-miracle-and-its-falsehood/">http://yousufsultan.com/posts/nepal-min &#133; falsehood/</a></p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[আবূসামীহা]]></name>
				<uri>http://www.idbangla.com/forums/profile.php?id=91</uri>
			</author>
			<updated>2010-08-29T19:43:26Z</updated>
			<id>http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2328&amp;action=new</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[শেষ পর্যন্ত কি পঁচা সামুকেই পা কাটবে এই জাতির??]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2323&amp;action=new"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<p>ক্ষমতার চেয়ারে যারা বসেন তাদের ইচ্ছার উদ্ভব হওয়াটা শুধু সময়ের ব্যপার, এর পর তার প্রতিফলন এবং বাস্তবায়ন শুধুই তুড়ি বাজানোর মতই সোজা সাপ্টা ব্যপার। যে কোনও মুল্যে এর বাস্তবায়ন হবেই হবে। হল ও তাই। অন্যদিকে দেশের জনমানুষের সর্বোচ্চ আস্থার স্থল মাননীয় আদালতের সাথে সরকারের বোঝাপড়াটা অনেকটা প্রেমে পড়ার মত, প্রেমে পড়লে প্রেমিক আর প্রেমিকার মনের চাওয়া পাওয়ায় যেমন এক অসম্ভব মিল দেখা যায় তেমনি সরকার ও আদালতের চাহিদার অপুর্ব মিল দেখা যাচ্ছে ইদানিং। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে এরা একে অপরের প্রমে পড়ে আছে। প্রেমের কারনে যেমন প্রেমিক প্রেমিকারা বাবার মাথার ঘাম পায়ে ফেলা কষ্ট আর মায়ের নাড়ী ছেড়া টানের চৌদ্দ গুষ্ঠী উদ্ধার করে নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য যাচ্ছে তাই করে, এখানেও তেমনটাই হচ্ছে। </p><p>জনগনের টাকায় চলা সরকার আর আদালত আজ তাদেরই ইচ্ছা আকাংখাকে দু পায়ে দলে নিজেদের স্বার্থ হাসিলে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে। <br />যুদ্ধাপরাধের বিচার দেশের সবাই চায়। এই ইস্যুতে যেমন দেশের সবাই দৃঢ় প্রতিজ্ঞ তেমনি শিশা ঢালা প্রচিরের মত অটল। আবার এই জায়গাটিই এ জাতির অন্যতম প্রধান দুর্বলতা। এটা এমন একটা কাঁটা যে কাঁটা দিয়ে অন্য কাঁটা গুলোও তুলে ফেলা যায় অনায়াসেই। এই যুদ্ধাপরাধীর মুলা ঝুলিয়েই পঁচাশি ভাগ মুসলমানের এই দেশে তাদের ধর্মের পক্ষে কন্ঠ উচু করার রাস্তা বন্ধ করে দেয়ার নীল নকশা বাস্তবায়নের কাজ ষোল কলায় পুর্ন হল।</p><p>প্রবাদ আছে যে “চোর গেলে বুদ্ধি আসে” আবার এও প্রচলিত আছে যে “ঢুস খেলে হুস ফেরে”, এখনও যারা শীর্ষ জামায়াত নেতাদের দুর্দিনে আনন্দে আত্মহারা হয়ে আছেন তাদের বলি, আনন্দিত হোন কিংবা আমোদিত হোন তাতে কোন বাধা নেই কিন্তু আত্মহারা হয়ে যাচ্ছেন কেন? যখন আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের স্বপনে বিভোর তখন কি আমাদের চোখে ধুলো দিয়ে স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা হতে পারে না?&nbsp; </p><p>জামায়াতের নেতারা না হয় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত কিন্তু অন্যান্য ইসলামি দল গুলোর ত সেই সমস্যা নেই তাহলে তাদের কে কেন নিষিদ্ধ করার কথা উটছে? অনেকে হয়তো বলবেন যে এরা ধর্মের নামে ব্যবসা করছে তাই এদের নিষিদ্ধ করা উচিৎ। তাহলে যারা গোটা দেশ নিয়ে ব্যবসায় নেমেছে, হত্যা, লুটত্রাজ, রাহাজানি, হানাহানি, ধর্ষন করছে তাদেরকে কেন নিষিদ্ধ করা হবে না? ভোটের আগে যারা মসজিদের পানে ছুটে, মাথায় পট্টি হাতে তসবি নিয়ে মানুষের মন ভোলায়, নির্বাচনের আগে ধর্মভিত্তিক রাজণৈতিক নেতাদেরকে নিজেদের ভাই বলে বুকে টেনে নেয় এবং পরে দূর দূর করে তাড়িয়ে দেয় তারা কি ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করছে না? তাহলে তাদের কেন নিষিদ্ধ করা হবে না? <br />এখন কেউ কেউ হয়তো বলে উঠবেন যে এরাই দেশে জংগিবাদের উত্থান ঘটিয়েছে, মানছি তা তারা ঘটিয়েছে। কিন্তু অন্যান্য দল গুলো কি কম করেছে? তারা কি নিরিহ মানুষকে হিত্যা করেনি? তারা কি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অরাজকতা সৃষ্টি করে নি? ইসলামি পোষাক পরে যে কাজ করলে মানুষকে জংগি বলা হয়, অন্য পোষাকে ও অন্য দলের হয়ে ঠিক সে কাজ কে কি আপনি কি বলবেন? এদেশে জংগিবাদ কবে এসেছে আর রাজনৈতিক সন্ত্রাস কবে থেকে শুরু হয়েছে? কেন শুধু যাকে দেখতে নারি তার বিচার করতে উঠে পড়ে লাগতে হবে? কেন সবার বিচার হবে না? </p><p>এত অস্বাভাবিক বিষয় ঘটছে তাতেও কেন চোখ খুলে কেউ দেখছে না? যেখানেই মিথ্যা সেখানেই অস্বাভাবিকতা আর সেখানেই ষড়যন্ত্রের উৎপাত। তাহলে কোন ষড়যন্ত্র হচ্ছে? কেন হচ্ছে? কে করছে? কেন করছে? </p><p>আপনার কাছে হয়তো এই বিষয় গুলো বড়ই সামান্য মনে হবে তাতে কিচ্ছু যায় আসে না। আসলে এসব কিছুতেই সামান্য কিছু নয়, তবে তর্কের খাতিরে যদি সামান্যই ধরি তাহলে বলবো ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিন। যুগে যুগে বিভিন্ন জাতির পা পঁচা সামুকেই কেটেছে। তাই আজ বড় ভয় হচ্ছে, পঁচা সামুকে কি আমাদের পা ও কাটা যাচ্ছে?</p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[অনুপম যোশী]]></name>
				<uri>http://www.idbangla.com/forums/profile.php?id=211</uri>
			</author>
			<updated>2010-08-20T18:22:54Z</updated>
			<id>http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2323&amp;action=new</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[সাংবাদিকতা প্রশিক্ষন ঃ জার্নালিজমে গ্র্যাজুয়েশান করার কোন দরকার নাই (প]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2326&amp;action=new"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<p>সাংবাদিকতা এমন একটি পেশা যার তুলনা আর হয় না। যেমন ধরুন এই পেশায় এলে সেলিব্রেটি হওয়ার রাস্তাটা অনেকটা সোজা হয়ে যায়। চুল দাড়ি পাকলেই আবার আপনি বুদ্ধিজিবি বনে যেতে পারবেন অনায়াসেই। আর নিরাপত্তার কথা বলছেন? কার সাহস আছে সাংবাদিকের উপর মাস্তানি করবে? একবার করেই দেখুক না!! ঐ ব্যটাকে দুদিনেই দেশের সেরা ঘৃন্যতম ব্যক্তিতে পরিনত করার রাস্তাটা তো এই সাংবাদিকতার পেশাই। তাই সাংবাদিকতার পেশাকে হেলা ফেলায় দেখবেন না। আসুন নিজের ক্যারিয়ারের জন্য সাংবাদিকতার পেশাটা বেছেনিতে দেরি না করি।</p><p>প্রথমেই বলে রাখছি সাংবাদিকতা পেশায় সফল হতে আপনাকে কোন ভাবেই জার্নালিজমে ভর্তি হয়ে চার চারটি বছর নষ্ট করা চলবে না। কারন আপনি জার্নালিজমের যত ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্টই হন না কেন আপনাকে কিছু কিছু বিষেশ বিষয়ের উপর পারদর্শি হতেই হবে। আর সেরকম যোগ্যতা থাকলে কিসের ডিগ্রি কিসের কি? আপনার সফলতা অবস্যম্ভাবী। আসুন আর দেরি না করে শুরু করি।</p><p>প্রথম অধ্যায়</p><p>সাধারন সাংবাদিকতা শিক্ষায় আপনাকে শিখানো হবে যে কোন ঘটনাকে পাঁচটি প্রশ্নের উত্তরে সাজাতে হবে। এই প্রচলনের উপর যথেষ্ট সম্মান রেখেই আপনাকে একই জিনিস মনে করিয়ে দিতে চাই। যে কোন ঘটনার উপর প্রতিবেদন করার আগে আপনাকে কি? কোথায়? কিভাবে? কখন? এবং কেন? এই পাচটি প্রশ্নের আলোকে সাজাতে হবে। আশা করি সেটা আপনার জন্য তেমন কঠিন কোন বিষয় নয়।</p><p>২য় অধ্যায়</p><p>এবারে আপনাকে কিছু গুরুত্ব পুর্ন শব্দ মালার সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি যেগুলো আপনার সফল সাংবাদিকতার অন্যতম চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করবে। যেমন, প্রত্যক্ষদর্শি, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, নির্ভর যোগ্য সুত্র, এলাকা বাসী, গোপন সুত্র, সরেজমিনে দেখা যায়, অনেকেই মনে করেন, এলাকা বাসীর সাথে আলাপ কালে জানাযায়।</p><p>উপরোক্ত শব্দমালা গুলো আপনার চলার পথে যখন তখনই প্রয়োজন হবে তাই এগুলোর যথাযথ ব্যবহার রপ্ত করুন।</p><p>উদাহরন_ধরুন সাভারে দুই রাজনোইতিক দল সি এন জি এবং জি এম টি দলের সাথে সংঘর্ষ হয়েছে। এখন আপনাকে যদি বলা হয় সি এন জি দলকে ডূবাইতে হবে তাহলে এভাবে খবর লিখুন, গতকাল রাজধানীর সাভারে সি এন জি দলের কর্মিদের সাথে জি এম টি দলের সমর্থকদের ব্যাপক ধাওয়া পালটা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। (এবার এটা ওটা যা লেখার লিখুন এবং ক জন আহত হল এবং কজন নিহত হল তা লিখুন, এখানে খেয়াল রাখতে হবে নিহতের সংখ্যা সঠিক রাখতে হবে কিন্তু আহতের সংখ্যা আপনাকে যেন জি এম টি দলের অনুকুলে যায় সে অনুপাতে লিখতে হবে) এবার ঘটনার বর্ননায় আপনাকে এই শব্দমালার সাহায্য নিতে হবে।</p><p>উদাহরন - প্রত্যক্ষদর্শিদের সাথে কথা বলে যানা যায় যে জি এম টী দলের কর্মীরা তাদের নিজস্ব টেন্টে বসে আড্ডাদেয়ার সময় হঠাৎ করেই সি এন জি দলের এক কর্মি রাসেল ঐ পথ দিয়ে হেটে যাবার সময় জি এম টি দলের সদস্যদের উদ্দেশ্য করে কটূক্তি করে। এতে জি এম টি দলের সদস্যরা ঐ কর্মিকে আদর করে বুঝাতে গেলে অদুরেই দাঁড়িয়ে থাকা সি এন জি দলের ক্যডার রা জি এম টি দলের কর্মিদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে।</p><p>এবার মনে করেন আপনাকে বলা হল সি এন জি দলের প্রধান জমির আলীকে ডুবাইয়া এক খান রিপোর্ট করতে হবে তাইলে আপনেকে উপরের শব্দমালার দারস্থ হইতেই হইবে।<br />উদাহরন<br />শিরোনমটা অবশ্যই আকর্ষনীয় হতে হবে যেমন কিছুটা এই রকম “সিলেটের টেন মার্ডারের পেছনে কলকাঠী নেড়েছেন সি এন জি দলের প্রধান”</p><p>কৌশল<br />কেন সি এন জি দলের প্রধানের নাম না লিখে শুধু পদবীর কথা লেখবেন?<br />কারন হল একঢিলে একাধিক পাখি মারা হবে, এখানে সি এন জি দলের মান ইজ্জত ও ঐ দলের প্রধানের মান ইজ্জত নিয়া টানাটানি পড়ে যাবে। শিরোনামেই উদ্দেশ্য হাসিলের এই কৌশল ছাড় দিলেই আপনার ক্ষতি।</p><p>এবার দেখুন কিভাবে ঐ শব্দগুলো দিয়ে পর্নাঙ্গ একটা রিপোর্ট তৈরি করা যায়।<br />ডেস্ক রিপোর্টঃ সিলেটের আলোচিত টেন মার্ডারের নেপথ্যের নায়কদের নাম বারিয়ে আসছে। গতমাসে গ্রেফতার হওয়া শীর্ষ সন্ত্রাসী পাতলা জলিল কে জজ্ঞাসাবাদে জানা যায় সিলেটের টেন মার্ডারের পেছনে জড়িত আছেন সি এন জি দলের কতিপয় শীর্ষ নেতা। দু সপ্তাহ আগে পাতলা জলিলকে জিজ্ঞাসাবাদে এরকম তথ্য পাওয়া গ্যেছে বলে জানিয়েছেন একজন পুলিশ কর্মকর্তা। পাতলা জলিলের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের একটি গোয়েন্দা দল তৎক্ষনাৎ সিলেটে ছুটে যান। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ডিবি কর্মকর্তার তরফ থেকে জানা যায় যে তদন্তকারীদল পাতলা জলিলের দেয়া তথ্যের পক্ষে কিছু আলামত পেয়েছেন। গত সপ্তাহের প্রথম দিকের সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের আই জি শিমুল কান্তি বলেছিলেন পাতলা জলিলের কাছ থেকে সিলেটের টেন মার্ডারের ব্যপারে কিছু গুরুত্ব পুর্ন তথ্য পাওয়া গেছে। ঐ সংবাদ সম্মেলনের পর গত কাল ডিবি পুলিশের ঐ কর্মকর্তা আমাদের প্রতিবেদক কে এমন তথ্য দিলেন। ঐ খবরের ভিত্তিতে আমাদের দৈনিক জমকালো পত্রিকার একদল সাংবাদিক সিলেটে যান এবং এলাকা বাসীর সাথে কথা বলে জানতে পারেন যে সি এন জি দলের প্রধান জমীর আলীর সেক্রেটারীর সাথে নিহত দশনেতার সাথে টেন্ডার সংক্রান্ত মতবিরোধ চলছিল। এদিকে কয়েকটি নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানা গেছে যে পাতলা জলিলের এমন তথ্য প্রদানের এবং ডিবি পুলিশের এমন অগ্রগতির খবর সি এন জি দলের প্রধান জমির আলি সমমনা পুলিশের কর্মকর্তা ও আইনজীবিদের দারস্থ হচ্ছেন………………………… এভাবে লিখে ফেলুন কয়েক পৃষ্ঠা।</p><p>৩য় অধ্যায়</p><p>এবার উক্তি বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কিছু মেধার পরিচয় দিতে হবে। ধরুন কোন রাজনৈতিক নেতার শাক্ষাৎকার নিচ্ছেন, শাক্ষাৎকারের এক পর্যায়ে তিনি বললেন, “রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারনে বাংলাদেশ আজ বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। তাই এই দেশ কে নতুন করে গড়ে তুলতে হলে আমাদেরকে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের তৈরীতে মনযোগী হতে হবে”</p><p>এখন আপনাকে যদি বলা হয় এই রাজনৈতিক নেতাকে যেভাবেই হোক জনগনের কাছে ঘৃণীত করে তুলতে হবে তাহলে আপনার প্রতিবেদনের শিরোনাম হবে এরকম “বাংলাদেশকে বসবাসের অযোগ্য বললেন অমুক নেতা” এই খবরকে আরও মুখরোচক করতে আরও একটি রিপোর্ট লিখে ফেলতে পারেন এই শিরোনামে “দেশকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করলেন অমুক নেতা” আবার অন্যভাবেও লিখতে পারেন যেমন “দেশ দ্রোহী মন্তব্য করলেন অমুক নেতা”</p><p>এর পর দেখুন কি হয়, বাঙ্গালী বলে কথা, হুজুগে পড়ে ঘৃনাতো আছেই ফাসীর কাষ্ঠে ঝুলানোর দাবীও উঠবে এই নেতার বিরুদ্ধে। আর আপনার পদবী? দেখুন না লাফিয়ে কোথায় উঠে!!</p><p>আবার যদি আপনাকে বলা হয় যে এই নেতাকে জনপ্রিয় করে তুলুন তাহলে শিরোনামটি এভাবে লিখতে পারেন, “নতুন করে দেশ গড়ার আহবান জানালেন অমুক নেতা” আবার এভাবেও শিরোনামটি লিখতে পারেন “সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের তৈরীর শপথ ঝরে পড়লো নেতার কন্ঠে”</p><p>পরবর্তী অধ্যায় গুলো নিয়ে আসছে পরবর্তী পর্ব। আমার সাথেই থাকুন।</p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[শামীম তারিকুর রহমান]]></name>
				<uri>http://www.idbangla.com/forums/profile.php?id=211</uri>
			</author>
			<updated>2010-08-15T07:33:52Z</updated>
			<id>http://www.idbangla.com/forums/viewtopic.php?id=2326&amp;action=new</id>
		</entry>
</feed>
