Topic: আওয়ামী লীগের সাথে জঙ্গীদের সম্পর্ক অতি নিবিড়
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট শামসুল হক টুকু অবশেষে আওয়ামী লীগের সাথে জঙ্গীদের একটা গোপন সম্পর্কের কথা রূপক অর্থে প্রকাশ করে দিলেন। তাঁর দল যখন বিরোধী দলে ছিল, তখন তারা নিয়মিত হরতাল দিতেন। সেই সময় বাংলাদেশে জঙ্গীদের তৎপরতাও ছিল তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। তখন চারদলীয় জোট সরকার একদিকে বিরোধী দল আওয়ামী লীগের হরতাল নিয়ে শংকিত থাকত এবং সেই সাথে চারদিক থেকে জঙ্গীদের তৎপরতা নিয়েও শংকিত থাকত। তখন নিশ্চয়ই সরকারকে নাজেহাল করার জন্য আওয়ামী লীগ ও জঙ্গীগন একসাথে কাজ করত। নিজেদের সেই পুরোনো সম্পর্কের কথা ভেবেই স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আশংকা করছেন যে, বিএনপিও হয়ত তাদের পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারে। তিনি গতকাল এক বক্তব্যে এমনই একটা আশংকার কথা জানিয়েছেন।
উফ, বিএনপি জোট সরকারের আমলে একদিক আওয়ামী লীগ এবং সেই সাথে জঙ্গীরা যে, কি নৃশংস অবস্থানে ছিল, ভাবতেই গা শিউরে উঠে। আওয়ামী লীগ কয়েকদিন পর পরই হরতাল দিত। প্রতি হরতালে তারা সাধারন মানুষকে হত্যা করত। বাসে আগুন দিয়ে ইঁদুর বিড়ালের মত করে তারা মানুষ মারার উদাহরনও তৈরী করেছে। অথচ সেজন্যে এ হত্যার মূল নায়িকা কোন দু:খ প্রকাশ করেনি। ট্রেন বাস পুড়িয়ে দেশের অর্থনীতি ছারখার করে দিতে চেয়েছে। বিএনপি জোট সরকার সেই ভয়াবহতা শান্তিপূর্ন ভাবে মোকাবেলা করে দেশকে পিছিয়ে পড়া থেকে বাচিয়ে রেখেছিল বলে তাদেরকে ধন্যবাদ দিতেই হয়।
জঙ্গীদের তৎপরতা সরকার বিরোধী তৎপরতায় আওয়ামী লীগকে সহায়তা করেছিল। প্রায়ই বিভিন্ন স্থানে বোমা হামলা সহ বিভিন্ন নাশকতা সাধারন মানুষকে ভীত সন্ত্রস্ত করেছিল। সেই সময় সরকার বহির্বিশ্বের কাছে দেশকে জঙ্গী মুক্ত প্রমান করতে জঙ্গী বিরোধী তৎপরতায় বেশ সফলতা অর্জন করেছে। সে সরকারের আমলেই জঙ্গী নেটওয়ার্ক সমূলে উৎপাটিত হয়েছে। ফাঁসীর রায় হয়েছে এর মূল হোতাদের। আর আওয়ামী লীগ ব্যর্থ হয়েছিল সরকারকে শেষ পর্যন্ত বিপর্যস্ত করতে। সেজন্যেই আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর পর প্রথমেই কায়দা করে হত্যা করিয়েছে জঙ্গীবিরোধী তৎপরতার নায়ক গুলজারসহ আরো অনেক সেনা সদস্যকে।
মহাজোট সরকারের হাতে দেশের ক্ষমতা যতক্ষন রয়েছে ততক্ষন সত্যিই দেশ নিয়ে শংকিত থাকার সুযোগ রয়েছে। সরকারের প্রতি সত্যিকারের দেশপ্রেমিকে পরিণত হবার আহবান রেখে শেষ করছি।
