Topic: এক মিনিট! একটি শিশুসুলভ আইডিয়া

বিশ্ব রাজনীতি আর সিস্টেম নিয়ে জানাবোঝার ক্ষেত্রে আমার জ্ঞানের তূলনা চলে বাচ্চাদের অ-আ পড়ার মত। তাই আমার জানার রেঞ্জের কয়েকটা বিষয়ের মধ্যে কানেকশন করে একটা আইডিয়া বানালাম।
আপনারা যেহেতু বেশী জানেন-বোঝেন তাই আপনাদের দায় দায়িত্ব বেশি।তাই আশা করছি , আমি এখন যা লিখব,তা বাস্তবায়নে সমস্যা কি কি, আর এর সম্ভাব্যতা কত টুকু (আদৌ থেকে থাকলে) তার একটা বিশ্লেষণ দেখব।

ব্যাপারটা এরকমঃ
আমেরিকা ইস্রায়েলের কাছে কতটা বাঁধা তা আমরা জানি।আমেরিকার যে কোন সিদ্ধান্ত ইহুদী লবি থেকে আসে,ইহুদীরা চিন্তা-ভাবনা করে যদি দেখে তাদের স্বার্থের সাথে যায়, তাহলে তার অনুমোদন করে।
এখন  ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বরের কথা মনে করব, এ দিনে বৃটেনের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস আর্থার বেলফোর ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জন্য তথাকথিত আবাসভূমি বা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে বৃটেনের সম্মতির কথা ঘোষণা করেন। এই ঘোষণা বেলফোর ঘোষণা নামে খ্যাত । এ ঘোষণা অনুযায়ী বৃটেন ফিলিস্তিনে কথিত ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টার অঙ্গীকার করে । ফিলিস্তিন সে সময় বৃটেনের কর্তৃত্বাধীনে ছিল।
অবশেষে বেলফোর ঘোষণার ৩১ বছর পর ১৯৪৮ সালে বৃটেন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় অবৈধ ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয় ।

আমেরিকা ১৭৭৬ সালে গ্রেট ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। The United States Declaration of Independence  স্টেটমেন্টে বলা হয় ৪ জুলাই ,১৭৭৬ থেকে আমেরিকার ১৩টি কলোনি এখন থেকে স্বাধীন রাষ্ট্র ।এরা আর ব্রিটেন সাম্রাজ্যের অংশ নয়।
কথা হচ্ছে, আমেরিকা কি আজো স্বাধীন? মার্কিন প্রেসিডেন্টকেও যখন ক্ষমতায় আসতে গেলে ইস্রায়েলের দয়ার উপর নির্ভর করতে হয় তখন বোঝা যায় আমেরিকা এখনো পরাধীন। আমারিকার চিন্তার স্বাধীনতা ইহুদীরা নিয়ে নিয়েছে।যে ইস্রায়েলের স্বেচ্ছাচারী আচরণে জাতিসংঘের কাছে অনেক সময়ই আমেরিকাকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়, সে ইস্রারায়েল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা কিন্তু ব্রিটেন।
তাহলে ৪ জুলাই ,১৭৭৬ সালে ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা নিয়েও কিন্তু আমেরিকার লাভ হল না।তাদেরই পৃষ্ঠপোষক ইস্রায়েলের গোলামী করে করে আমেরিকার জান খারাপ।
এই উপলব্ধিটা যদি মার্কিনীদের করানো যেত এবং তারা যদি প্রচলিত সিস্টেম থেকে একবার বের হয়ে ইহুদীদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার সাহস দেখাত,তাহলে ইহুদীরা কিছুটা হলেও থমকে যেত।মুসলিম বিশ্বের উপর অত্যাচার করার জন্য পায়ের তলায় যে শক্ত বেইস দরকার হয় সেটা বেশ কিছুটা সরে যেত।
মার্কিনীদের এই বোধ জাগ্রত করানো কেন সম্ভব এবং কেন সম্ভব না? একটু ভেবে বলেন।

হে ঈমানদারগণ! তোমরা শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ কর না।কেউ শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করলে শয়তান তাকে অশ্লীল ও মন্দ কাজের নির্দেশ দেয়। আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া না থাকলে তো্মাদের কেউই কখোনো পবিত্র হতে পারত না,তবে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পবিত্র করেন।আর আল্লাহ সব শোনেন,সব যানেন